1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে

যশোরে পুত্রবধূ মরিয়ম শাশুড়িকে হত্যা করে মরদেহ বস্তায় ফেলে

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

যশোরের বেজপাড়া এলাকায় শাশুড়িকে হত্যা করে মরদেহ বস্তায় ফেলে রাখার অভিযোগে ২০ বছর বয়সী পুত্রবধূ মরিয়ম বেগমকে আটক করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তি হলেন সকিনা বেগম (৬০)।

পুলিশের মতে, মঙ্গলবার গভীর রাতে বাড়ির সামনে থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয়রা। পরদিন বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাসার এই তথ্য জানান। হত্যায় ব্যবহৃত দেশীয় চাপাতিও উদ্ধার করা হয়েছে।

পরিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সকিনা বেগমের ছেলে শহিদুল মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে দোকানে যান। যাওয়ার আগে তার স্ত্রী মরিয়ম তাকে জানায় যে সকিনা বাসায় রান্না না থাকায় বাইরে খেয়ে নেবেন। শহিদুল তার মাকে খোঁজ করলে পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি বাইরে তালিমে গেছেন।

রাত সাড়ে দশটার দিকে শহিদুল বাড়ি ফিরে মাকেকে না পেয়ে বাড়ি ও আশপাশ খোঁজাখুঁজি করেন। সন্দেহ হওয়ায় পরে থানায় গিয়ে পুলিশকে খবর দেন। রাত সাড়ে বারটার দিকে বাড়ির সামনের অংশে একটি বস্তার মধ্যে লাশ দেখতে পান শহিদুল এবং তার বোন শাহিদা বেগম। তারা মৃতদেহটি সকিনা বেগম হিসেবে শনাক্ত করেন।

ঘটনার পর ডিবি পুলিশ ও কোতোয়ালি থানা পুলিশের যৌথ দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে আলামত সংগ্রহ করে। তদন্তে মরিয়মের আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে তাকে ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে মরিয়ম হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানায়, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে শাশুড়ির সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন কথাকাটাকাটি বাড়ার পর তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে বাড়িতে থাকা একটি চাপাতি দিয়ে শাশুড়িকে আঘাত করে হত্যা করেন। পরে মরদেহ বস্তায় ভরে বাড়ির সামনে ফেলে রাখেন এবং হত্যায় ব্যবহৃত চাপাতি ঘরের ওয়্যারড্রবে লুকিয়ে রাখেন।

অভিযুক্তের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ তাদের বাড়ি থেকে হত্যায় ব্যবহৃত চাপাতি উদ্ধার করেছে। পুলিশ বলেছে, ঘটনার ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন আছে। প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপরাহ আহসান হাবীবসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ বর্তমানে ঘটনার বিস্তারিত কারণ ও সম্ভাব্য সহায়তাকারীদের খুঁজে বের করতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo