1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত

শেষ দিনে বিরোধীদের ওয়াকআউটকে যৌক্তিক মনে করলেন না সালাহউদ্দিন

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

সামনের দিনে জাতীয় সংসদের শেষ কার্যদিবসে জুলাই অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর সংক্রান্ত অধ্যাদেশ নিয়ে বিরোধী দলের (বিএনপি) ওয়াকআউটের কোনো যৌক্তিকতা দেখছেন না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। রবিবার (১২ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সালাহউদ্দিন বলেন, সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হওয়ার পর ঈদসহ নানা ছুটির কারণে কাজের সময় সীমিত ছিল। বিধি অনুযায়ী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে অধ্যাদেশ উত্থাপন করার বাধ্যবাধকতা থাকায় সময়ের চাপ আরও বেড়ে যায়। সেই কারণেই এমন চাপের মধ্যে শুক্রবারও অধিবেশন চালাতে হয়েছে। স্বল্প সময়ে সব প্রস্তুতি শেষ করা সবসময় সহজ নয়; ফলে শেষ মুহূর্তে কিছু অধ্যাদেশ আগে টেবিলে আনা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও বলেন, বিরোধী দল একাধিকবার ওয়াকআউট করেছে, কিন্তু তাদের যে কোনো অভিযোগকে খতিয়ে দেখা গেলে অনেক তথ্য সঠিক নয়। গণমাধ্যমের সামনে তারা বক্তব্যই দিয়েছে, তবু শেষ কার্যদিবসে আনা অধ্যাদেশ নিয়ে তাদের ওয়াকআউটের কোনো গ্রহণযোগ্য ভিত্তি ছিল না।

আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান সম্মেলনে অধ্যাদেশ ভিত্তিক কার্যধারার পরিমাণগত চিত্রও উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৭টি অপরিবর্তিত অবস্থায় পাস হয়েছে, ১৩টি সংশোধন করে পাস করা হয়েছে, সাতটি রহিত করা হয়েছে বা হেফাজত সম্পর্কিত বিলের মাধ্যমে অনুমোদন পেয়েছে এবং ১৬টি অধ্যাদেশ শেষ পর্যন্ত উপস্থাপন করা হয়নি। মোট মিলিয়ে ৯১টি বিলের মাধ্যমে ১১০টি আইন প্রণীত হয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, কিছু বিল — যেমন মানবাধিকার কমিশন আইন, সুপ্রিম বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত আইন ও সুপ্রিম সচিবালয়–সংক্রান্ত বিল — উত্থাপন করার সময় প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা ও আরও যাচাই-বাছাই দরকার বলে উঠেছিল। এসব ক্ষেত্রে কোনো অস্পষ্টতা নেই বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন এবং যারা ভিন্ন দাবি করছেন তাদের বিভ্রান্তিকর মন্তব্য বলেও উল্লেখ করেছেন।

গুম কমিশন সম্পর্কেও আইনমন্ত্রী সতর্ক করেছেন যে, যদিও আইসিটি আইনে গুমের সংজ্ঞা আছে, গুম কমিশন সম্পর্কিত আইনে সেই সংজ্ঞা স্পষ্টভাবে আলাদা করে করা হয়নি। ফলে মানবাধিকার সংক্রান্ত আইনের সঙ্গে কিছু অসামঞ্জস্য দেখা দিতে পারে; এজন্য বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে।

মানবাধিকার কমিশনের ক্ষমতা নিয়ে তিনি বলেন, কমিশনের তদন্ত সম্পন্ন করার জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা বিধিবদ্ধ করা হয়নি। কমিশন উভয় পক্ষকে ডেকে শুনতে পারবে, জরিমানা, ক্ষতিপূরণ বা আইনগত পদক্ষেপের পরামর্শ দিতে পারবে এবং প্রয়োজনে নিজে বাদী হয়ে মামলা করতে পারবে; তবে জরিমানা বা ক্ষতিপূরণের নির্দিষ্ট পরিমাণ নির্ধারণের বিধান নেই।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, পূর্ববর্তী সময়ে (এক-এগারো সরকারের সময়ে) যে ১২২টি অধ্যাদেশ জারি ছিল, তার মধ্যে ৫৪টি আইন হিসেবে রূপান্তর হয়েছিল। বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে প্রায় ১১৭টি অধ্যাদেশ আইন হিসেবে রূপান্তর করেছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo