1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৮:৫০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ: সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল রাজসাক্ষী হতে চান ঈদুল আজহা: ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রির সময়সূচি ঘোষণা

৮ মাসে বাংলাদেশের বার্ষিক বাণিজ্য ঘাটতি দুই লাখ কোটি টাকায় পৌঁছাল

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

চলতি অর্থবছরের প্রথম ৮ মাসে বাংলাদেশে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭০৩ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২ লাখ ৭ হাজার কোটি টাকা। এই পরিমাণ প্রায় দুই গুণ বেশি গত অর্থবছরের একই সময়ে বাণিজ্য ঘাটতির তুলনায়, যেখানে ছিল ১ হাজার ৩৭১ কোটি ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক লেনদেনের সাম্প্রতিক রিপোর্টে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফেব্রুয়ারি মাসে রমজান ও তার আশেপাশে সময়ের কারণে ভোজ্যতেল, চিনি, ডাল, ছোলা ও খেজুরসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি অনেক বেড়েছে। পাশাপাশি, একই সময়ের মধ্যে রপ্তানি আয় অপ্রত্যাশিতভাবে কমে যাওয়ায় বাণিজ্য ঘাটতিতে আরও বাড়তি চাপ পড়ে। এর ফলস্বরূপ, দেশের অর্থনীতি যতদিন পর্যন্ত আমদানি নিয়ন্ত্রণ ও রপ্তানি বৃদ্ধি করতে না পারবে, ততদিন এই সমস্যা আরও জটিল হতে পারে।

সরকারি হিসাব বলছে, জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ের মধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মোট ৪৬১৭ কোটি ডলার পণ্য আমদানি করেছে, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৪৩৭৪ কোটি ডলার। অন্যদিকে, এই সময়ের মধ্যে পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৩০০৬ কোটি ডলার, যেখানে গত বছর এই পরিমাণ ছিল ২৯০৬ কোটি ডলার। এ কারণে আমদানি-রপ্তানি ব্যবধান বেড়ে চলেছে, আর সেই কারণেই প্রথম ৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি আরও বৃদ্ধি পায়।

অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, দেশের অর্থনীতি টেকসই রাখতে হলে আমদানি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি রপ্তানি বাড়াতে হবে। অন্যথায়, চলমান চাপের মধ্য থেকে出口ে অপ্রত্যাশিত ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের চলতি হিসাবের ঘাটতি সামান্য হলেও রয়েছে, যা ফেব্রুয়ারি শেষে দাঁড়িয়েছে ১০০ কোটি ডলার। আগের বছরের একই সময়ে সেই ঘাটতি ছিল ১৪৭ কোটি ডলার। খেয়াল করলে দেখা যাবে, সামগ্রিক লেনদেনের (ওভারঅল ব্যালেন্স) অবস্থা ইতিবাচকভাবে উন্নতি হচ্ছে, এই সময়ে তা ৩৪৩ কোটি ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের বছর ছিল ঋণাত্মক ১১৫ কোটি ডলার।

প্রবাসীরা অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন, তাদের পাঠানো রেমিটেন্স এই সময়ে ২ হাজার ২৪৫ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি।

অন্যদিকে, দেশের বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) উজ্জীবিত হলেও, শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ কমে গেছে। গত বছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ের মধ্যে বিদেশি বিনিয়োগ ছিল ১০৬ কোটি ডলার, চলতি অর্থবছরে তা হ্রাস পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৮৭ কোটি ডলারে। এই সংকটজনক পরিস্থিতির কারণে বিদেশি বিনিয়োগের পোর্টফোলিও ধারায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, যেখানে প্রথম ৮ মাসে নিট বিনিয়োগ কমেছে ৮ কোটি ডলার।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo