1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ: সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল রাজসাক্ষী হতে চান ঈদুল আজহা: ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রির সময়সূচি ঘোষণা

মার্চে মূল্যস্ফীতি কমে ৮.৭১ শতাংশ

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬

দেশে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে এসেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মার্চ মাসে সাধারণ মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে ৮.৭১ শতাংশে নেমে এসেছে, যা আগের মাস ফেব্রুয়ারি ছিল ৯.১৩ শতাংশ। গত বছর একই সময়ে, অর্থাৎ ২০২৫ সালের মার্চে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৩৫ শতাংশ। এই পরিবর্তনের পেছনে মূল কারণ হলো খাদ্যপণ্যের দাম কমে যাওয়া, যা মার্চে খাদ্য মূল্যস্ফীতিকে ৮.২৪ শতাংশে নামিয়ে এনেছে। ফেব্রুয়ারি মাসে এটি ছিল ৯.৩০ শতাংশ, আগের বছরের মার্চে ছিল ৮.৯৩ শতাংশ। অন্য দিকে, খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে মার্চে দাঁড়িয়েছে ৯.০৯ শতাংশে, যেখানে ফেব্রুয়ারি ছিল ৯.०১ শতাংশ এবং গত বছরের মার্চে ছিল ৯.৭০ শতাংশ। গ্রাম ও শহর উভয় এলাকাতেই মূল্যস্ফীতিতে কিছুটা দৃশ্যমান স্বস্তি এসেছে। গ্রামে মার্চে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮.৭২ শতাংশ, যা ফেব্রুয়ারি ছিল ৯.২১ শতাংশ এবং গত বছরের মার্চে ছিল ৯.৪১ শতাংশ। খাদ্য মূল্যস্ফীতি গ্রামে কমে ৮.০২ শতাংশে এসেছে, যেখানে গত মাসে ছিল ৯.০৭ শতাংশ। তবে, খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়ে ৯.৩৮ শতাংশে পৌঁছেছে। শহরাঞ্চলে, মার্চে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮.৬৮ শতাংশে নেমে এসেছে, যা ফেব্রুয়ারি ছিল ৯.০৭ শতাংশ। খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮.৭৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যেখানে ফেব্রুয়ারি ছিল ৯.৮৭ শতাংশ। খাদ্যবহির্ঘূত মূল্যস্ফীতি অল্প বেড়ে ৮.৬২ শতাংশে পৌঁছেছে। তবে, মজুরি বৃদ্ধির হার কিছুটা বেড়ে মার্চে হয়েছে ৮.০৯ শতাংশ, যা ফেব্রুয়ারি ছিল ৮.০৬ শতাংশ। এরপরও, মূল্যস্ফীতি এখনো মজুরি বৃদ্ধির হার থেকে বেশি থাকায় শ্রমজীবী মানুষ তাদের প্রকৃত আয় পুরোপুরি বাড়াতে পারছেন না। এর ফলে, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত, মোট ৫০ মাস ধরে প্রকৃত আয় হ্রাস অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি যে ১১.৬৬ শতাংশে পৌঁছেছিল, তখন মজুরির বৃদ্ধি ছিল ৭.৯৩ শতাংশ। এর ফলে দুইয়ের মধ্যে ব্যবধান ছিল ৩.৭৩ শতাংশ পয়েন্ট। বর্তমানে সেই ব্যবধান সংকুচিত হয়ে এসে ০.৬২ শতাংশ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, যা দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি সূচিত করছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo