1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

বিএনপি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: গুম-খুন ও নির্যাতিতদের কল্যাণে কাজ করবে

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬

তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী ‘‘নতুন বাংলাদেশ’’ গড়ার শপথ তুলে ধরে খুলনায় প্রয়োজনে গুম, খুন ও অমানবিক নির্যাতনের শিকার পরিবার এবং অসুস্থ ও দুঃস্থদের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার, ৪ এপ্রিল, খুলনা জেলা পরিষদের আয়োজনে এক আবেগঘন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব চেক ভুক্তভোগীদের হাতে তুলে দেন খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল।

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী। প্রধান কার্যনির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মমিনুর রহমান অনুষ্ঠানের পরিচালনা করেন। মোট ৭৩টি পরিবারের হাতে সহায়তার চেক তুলে দেয়া হয়, যার মধ্যে ২৩টি শহীদ পরিবারের এবং ৫০টি নির্যাতনভোগী বা অসুস্থ পরিবারের সদস্য রয়েছে। বিতরণকৃত মোট অনুদান ছিল ৭ লক্ষ ৩৬ হাজার টাকা।

রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, গত ১৭ বছর ধরে দেশে যে গুম ও খুনের সংস্কৃতি গড়ে তোলা হয়েছিল, তার লক্ষ্য ছিল মানুষের কণ্ঠরোধ করা। দীর্ঘ দুর্বিষহ শাসনের বিলাপ-বেদনার বিনিময়ে আজ মানুষ মুক্তির শ্বাস নিচ্ছে, যা অসংখ্য প্রতিবাদী ভাই-বোনের রক্ত আর স্বজনদের কষ্টের ফলে সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জেলা পরিষদের এই সহায়তা কোনো করুণা বা দয়া নয়, বরং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ন্যায্য অধিকার। যারা সন্তানকে গুম করেছে বা মাতৃ কোল খালি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রত্যেকটি খুন-মামলার বিচার বাংলা মাটিতেই নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন।

বক্তব্যে তিনি পূর্ববর্তী সরকারের সময়কালকে টেনে এনে বলেন, তৎকালীন শাসন ব্যবস্থা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করে ও জেলা পরিষদকে লুটপাটের কেন্দ্র হিসেবে পরিণত করেছিল। আজ যখন জেলা পরিষদ জনগণের কল্যাণে সক্রিয় হচ্ছে, তখন গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ফিরিয়ে আনা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের এই মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করে বক্তারা সাহায্যকারী কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান এবং বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়তে শহীদ ও নির্যাতিত পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনরায় করেন।

প্রেমীয় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল, সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, মহানগর বিএনপির সভাপতি এডভোকেট শফিকুল আলম মনা, নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, জেলা ড্যাব সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবলুসহ স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo