1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ: সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল রাজসাক্ষী হতে চান ঈদুল আজহা: ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রির সময়সূচি ঘোষণা

মার্চ মাসেও অব্যাহত রপ্তানি আয়ে পতন, হার ১৮ শতাংশ

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬

বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের অগ্রগতি মার্চ মাসেও অব্যাহত রয়েছে। গত মাসে রপ্তানি আয় প্রায় ১৮.০৭ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩.৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৪.২৪ বিলিয়ন ডলার। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) বৃহস্পতিবার এই তথ্য প্রকাশ করেছে। চলতি অর্থবছর (২০২৫-২৬) জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত দেশের মোট রপ্তানি আয় প্রায় ৪.৮৫ শতাংশ কমে ৩৫.৩৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যেখানে একই সময় গত অর্থবছরে তা ছিল ৩৭.১৯ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, সারাদিনের মধ্যেই টানা আট মাস ধরে রপ্তানি আয়ে পতন চলছে।

বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্পে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। এই খাতে রপ্তানি আয় প্রায় ৫.৫১ শতাংশ কমে ২৮.৫৭ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৩০.২৪ বিলিয়ন ডলার। তবে সেই সাথে কিছু কিছু খাতে ইতিবাচক উন্নতি দেখা গিয়েছে। ইপিবি জানায়, মাছ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য এবং প্রকৌশল পণ্যে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির মধ্যেও কিছু খাতে—যেমন হিমায়িত ও জীবিত মাছ, চামড়া, চামড়াজাত পণ্য ও প্রকৌশল পণ্য—সংখ্যায় পরিবর্তন এসেছে যা সামগ্রিক আয়ের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি বিভিন্ন বৈশ্বিক প্রভাবের কারণে দেশের রপ্তানি sector চাপে রয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের সংঘর্ষ এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। পাশাপাশি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের চলমান অবস্থা বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতির জন্য দায়ী। এর ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মতো সব বড় রপ্তানি বাজারে ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে। এই পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা অনেক কমে গেছে এবং বেশ কিছু রপ্তানি আদেশ স্থগিত বা বাতিলের মুখে পড়েছে। এই সব কারণের ফলে দেশের রপ্তানি পরিস্থিতি ব্যাপকভাবে চাপের মধ্যে রয়েছে বলে ইপিবি মনে করছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo