1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড

চরমোনাই মাহফিলের তিন দিনব্যাপী বার্ষিক অনুষ্ঠান শুরু, শনিবার আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬

বিশিষ্ট ঐতিহ্যবাহী চরমোনাই মাহফিলের তিন দিনব্যাপী বার্ষিক অনুষ্ঠান আজ বুধবার থেকে বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর তীরে শুরু হয়েছে। এই সংগঠিত ও অর্গানাইজড তাসাউফ ও সমাজ শুদ্ধির মাহফিলটি চরমোনাই ময়দানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা দেশের বিভিন্ন আলেম ও উলামারা, মওলানা, ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের অংশগ্রহণে উৎসবের রূপ নিয়েছে। সাধারণত প্রতি বছর অগ্রহায়ণ ও ফাল্গুন মাসে এই শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হলেও, এই বছর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও রমজান মাসের কারণে তা চৈত্র মাসে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বুধবার জোহরের নামাজের পর বাংলাদেশের মুজাহিদ কমিটির প্রধান আমীরুল মুজাহিদিন মুফতি ও চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের উদ্বোধনী ভাষণ দিয়ে মাহফিলের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির সূচনা হয়। তিন দিনব্যাপী এই মাহফিলে প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় মোট সাতটি প্রধান বক্তৃতা বা বয়ান অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনী ও সমাপনী বয়ানসহ মোট পাঁচটি বক্তৃতা পেশ করেন পীর সাহেব চরমোনাই। এর পাশাপাশি তিনটি বয়ান দেন বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির নায়েবে আমীর মুফতি ও শায়খে চরমোনাই সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম।

এছাড়াও, দেশের শীর্ষস্থানীয় উলামায়ে কেরাম বিভিন্ন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান পরিবেশন করবেন। এই মাহফিলের আয়োজন ও পরিচালনা করে চরমোনাই জামেয়া রশিদিয়া আহসানাবাদ, যা বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত।

১৯৮৭ সালে, এই মাহফিলের সূচনা শতাব্দীর ৩০-এর দশকে হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি দেশের অন্যতম আধ্যাত্মিক ধারায় রূপান্তরিত হয়েছে। এই ধারার প্রধান নেতাদের মধ্যে অন্যতম শাইখে চরমোনাই মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মাদ ফজলুল করীম রাহিমাহুল্লাহ। তিনি ১৯৮৭ সালে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন নামে রাজনৈতিক আন্দোলন শুরু করেন, যা বর্তমানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নামে পরিচিত। এই মাহফিল ও ধারার শক্তিশালী অবস্থান বাংলাদেশের আধ্যাত্মিকতা ও রাজনীতিতে অবদান রাখছে।

মাহফিলে আগত মুসল্লিদের জন্য চারটি সুবিশাল মাঠ প্রস্তুত করা হয়েছে। সেখানে আলো, শব্দ ও পরিবেশের ব্যাপক ব্যবস্থা রয়েছে। অজু, গোসল ও ইস্তেঞ্জার জন্য পর্যাপ্ত সুবিধা দেওয়া হয়েছে। সহস্রাধিক স্বেচ্ছাসেবক আলাদা করে সেবা ও শৃঙ্খলার দায়িত্ব সামলাবেন। জরুরি চিকিৎসার জন্য ১০০ শয্যার হাসপাতাল প্রস্তুত, যেখানে দেশের শীর্ষ চিকিৎসকগণ সেবা প্রদান করবেন। রোগীদের দ্রুত স্থানান্তরসহ, দুইটি ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স ও মোট পাঁচটি অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য পুলিশ-আনসার বাহিনী ও স্বচেতন নিরাপত্তা কর্মীরা নিয়োজিত থাকবেন। এছাড়াও, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সর্বদা সতর্ক থাকবেন।

এই মাহফিলের সমাপ্তি অনুষ্ঠিত হবে শনিবার ভোরে, আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে।

খুলনা থেকে মুসল্লিদের উপস্থিতির আহবান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা জেলা শাখার নেতারা, যেমন—মাওলানা আব্দুল্লাহ ইমরান, হাফেজ আসাদুল্লাহ গালিব, মাওলানা আবু সাঈদ, এস এম রেজাউল করিম সরদার ও অন্যান্য স্বনামধন্য নেতারা। তারা সবাই আশা প্রকাশ করেন যে, বৃহৎ এ ধর্মীয় সমাবেশে সকলে অংশগ্রহণ করে দেশের ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিকতার পাশে থাকবেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo