1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ: সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল রাজসাক্ষী হতে চান ঈদুল আজহা: ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রির সময়সূচি ঘোষণা

রাজস্ব দুর্বলতা বাজেট বাস্তবায়নে বড় বাধা: সিপিডি

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) মনে করছে, দেশের দীর্ঘদিনের রাজস্ব আহরণের দুর্বলতা বাজেট বাস্তবায়নে প্রধান এক বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা বলেছেন, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় নিশ্চিত না হলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত ব্যয় ও সামগ্রিক অর্থনীতি আরও চাপের মধ্যে পড়বে।

মঙ্গলবার, ৩১ শে মার্চ, ঢাক city’s ধানমন্ডিতে আয়োজিত একটি আলোচনায় এই বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এটি ‘নতুন সরকারের প্রথম বাজেট নিয়ে ভাবনা’ শীর্ষক ছিল এবং এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির সম্মানিত ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

ড. দেবপ্রিয় বলেন, জ্বালানি আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পেলে দেশের চলতি হিসাবের ঘাটতি বাড়তে পারে, যা বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। তাই বাজেট প্রণয়নের সময় এই বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে সতর্ক ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।

তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিনের রাজস্ব সংগ্রহে দুর্বলতা মূলত বড় একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার ফলে উন্নয়নমূলক কাজের জন্য চাহিদা ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় চাপ বাড়ছে। এর পাশাপাশি, অতীতের ঋণের বোঝা ও বর্তমান জ্বালানি সংকটের কারণে নতুন আর্থিক সুস্থতা অর্জনও কঠিন হয়ে পড়ছে। দরকার আরও বেশি কর হলেও, এর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের উপর করের বোঝা কমানোর ওপরেও মনোযোগ দিতে হবে।

সিপিডি বলছে, দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে নতুন চাপ তৈরি হচ্ছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, উচ্চ আমদানি ব্যয় ও বৈদেশিক মুদ্রার অস্থিতিশীলতার কারণে। এই পরিস্থিতিতে, নতুন সরকারের প্রথম বাজেটটি বাস্তবসম্মত হওয়া ও প্রয়োজনীয় সংস্কার প্রণয়নের ওপর জোর দেওয়া উচিত।

আলোচনায় আরো বলা হয় যে, করের আওতা আরও বিস্তৃত করতে হবে, বিশেষ করে যাদের এখনো করের আওতায় আনা হয়নি, তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এ ছাড়াও, সাধারণ মানুষও যাতে করের বোঝা কমতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে। সরকারী ব্যাংক ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের আয় বৃদ্ধি উপরেও গুরুত্ব আরোপ করে বলা হয়, যদি এ প্রতিষ্ঠানগুলি নিজেদের আয় বাড়াতে না পারে, তবে ভর্তুকি দিয়ে চালানোর যৌক্তিকতা প্রশ্নের মুখে পড়বে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo