1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে ড্রাম ব্রিজ ভেঙে নদীতে পড়ে শতাধিক, ৩ শিশু নিহত, ২ নিখোঁজ আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান জামালপুরে ভাঙা ড্রাম ব্রিজে পড়ে শতাধিক মানুষ, ৩ শিশু নিহত আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি — বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীসহ মুসলমানদের ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান দেশের মানুষ ও বিশ্ব মুসলিমদের পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা ঈদুল ফিতরে পদ্মা-যমুনা সেতুতে রেকর্ড যানবাহন পারাপার ও টোল আদায়

জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মনিরুল হক চৌধুরী

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে জামায়াত ও এনসিপিকে নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। রোববার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর একটি মেধাবী তরুণশ্রেণি এসেছিল যারা জাসদ গঠন করেছিলেন, কিন্তু পরে অতিরিক্তভাবে এগোতে গিয়ে দেশ ও জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি সবাইকে সবকিছু সহ্য করার তৌফিক দেয়ারও আবেদন জানান।

অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। মনিরুল হক চৌধুরী বঙ্গবন্ধু যুগ পরবর্তী রাজনীতিতে বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা স্মরণ করে বলেন, ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দলের সঙ্গে কাজ করেছেন। বিরোধী দল cuando প্রশ্ন করলে মনে হয় দেশে বিএনপি যেন অপ্রতিষ্ঠিত ছিল—এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জাতনেত্রী বহু বিরোধ উপেক্ষা করে জামায়াতের সঙ্গে কাজ করেছেন এবং যারা আজ রাজনীতিতে আসছেন তাদের পেছনে দলের বহু তৎপরতা রয়েছে, সেটাও স্মরণ করা উচিত।

তিনি সংসদে দাঁড়িয়ে বলেন, কখনো কখনো বুঝতে কষ্ট হয় যে কার বিরুদ্ধে কথা বলব; আগে যারা বিরোধী ছিল তাদেরকে চিনতাম, কিন্তু আজকের কিছু বিরোধীকে তিনি এখনও চিনে উঠতে পারেননি। মনিরুল হক বলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমানই কঠোর নির্বাচন নিয়ে সতর্ক করেছিলেন—সেই সতর্কতা অনেকেই তখন বুঝতে পারেননি, পরে নির্বাচনের অভিজ্ঞতায় তারা কী কঠিন পরীক্ষা পেরোতে হয়েছে তা বোঝা গেছে।

তিনি আরো বলেন, এতসংখ্যক সদস্য নিয়ে সংসদে আসার পর যাদের জন্য আলহামদুলিল্লাহ বলা উচিত, গতকালে তাদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশও ছিল, কিন্তু আজ আমাদের সম্পর্কে প্রশ্ন উঠে থাকে। জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে যে প্রশ্ন করা হচ্ছে—মুক্তিযুদ্ধকে অন্য কোনো সময়ের ঘটনার সঙ্গে সমান করে দেখা হচ্ছে—এটি উদ্বেগের বিষয়। যদি ফ্যাসিস্টদের আমলে বিচারের নাম করে অন্যায় করা হয়ে থাকে তা অবশ্য আলাদা বিষয়।

শেষে মনিরুল হক সংসদে একটুকু কথা রেখে জামায়াতকে বলেন, স্বাধীনতার পর বা এনসিপির মতো দলের নেতারা বয়সে ছোটও হতে পারেন, তবু তাদের তিনি শ্রদ্ধা করেন। কারণ তারা সাহসী কণ্ঠস্বর, আর এ যুগের দাবি এমন সাহস।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo