জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান আশা প্রকাশ করেছেন যে জাতীয় সংসদ কারও চরিত্রহননের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে না এবং এখানে দেশের মানুষকে কল্যাণমুখী বিষয়গুলোতেই আলোচনা হবে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনে বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্বে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অতীতের সংসদগুলিতে জাতীয় কল্যাণ ও জনসাধারণের সমস্যা নিয়ে আলোচনা অনেক কম হয়েছে, বরং অনেক সময় ব্যয় হয়েছে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও চরিত্রহননে। নতুন সংসদে সেই মন্দ নজির পুনরাবৃত্তি না হওয়া তাঁর প্রত্যাশা।
তিনি স্পিকারকে উদ্দেশ্য করে অনুরোধ করেন যে সরকারি দল ও বিরোধীদলের মধ্যে বৈষম্য থাকবে না, সব দলের সদস্যই সমানভাবে সুবিচার ও সুযোগ পাবেন। জাতির কল্যাণে যা বলা প্রয়োজন, সেগুলো বলার সুযোগ দিতে স্পিকারের কাছে তিনি উল্লেখ করেন।
নিজের বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘‘আপনার নেতৃত্বে একটি গতিশীল সংসদ গঠিত হবে, এটাই আমরা আশা করি।’’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে এই সংসদে অনেক নতুন তরুণ সদস্য এসেছেন এবং বয়সে তিনি যেহেতু একটু বেশি তবু নিজেকে তরুণদের মধ্যেকার একজন মনে করেন—এটাই তার প্রথম সংসদ।
বক্তব্যের শেষে ডা. শফিকুর রহমান অতীতের নানা নির্যাতন ও নিপীড়নের কথা স্মরণ করেন—জুলাই অভ্যুত্থানসহ অনেকেই নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, কেউ কেউ জীবনও হারিয়েছেন, গুমের শিকার হয়েছেন। তিনি পুনরায় ন্যায়বিচারের দাবি জানান এবং বলেন, ‘‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’’—এই চাওয়া এখনো তাঁর কাছে অটল।