1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে

বাংলাদেশ আমাদের ‘দুমবার’ মতো পিটিয়েছে, ভয় লাগছে—সহযোগী দেশ হয়ে যাচ্ছি কি না: মোহাম্মদ আমির

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

বছরের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচে বড় ব্যবধানে জিতেছে বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে টাইগাররা পাকিস্তানকে আট উইকেটের বদলে ৮ উইকেটে হারিয়েছে। নাহিদ রানা ও মেহেদী হাসান মিরাজের তৎপর বোলিংয়ে সফরকারীরা মাত্র ১১৪ রানে অলআউট হয়; এরপর লক্ষ্য তাড়া করে বাংলাদেশ মাত্র ১৫.১ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে।

পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ আমির তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ম্যাচ ও পাকিস্তান দলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কাটাছেঁড়া বিশ্লেষণ করেছেন। তিনি লিখেছেন, এই ফল এমন যেন “সিলেবাসের বাইরের প্রশ্ন” – বাংলাদেশ এমন উইকেট তৈরি করেছে যা পাকিস্তান চিন্তা করেই পাইনি।

আমির বলেন, “মিরপুরে আমরা ভাবছিলাম স্পিনিং উইকেট হবে, কিন্তু বাংলাদেশ এমন বাউন্সি, গতিসম্পন্ন উইকেট বানিয়ে আমাদের অবাক করেছে। আমরা টার্নিং উইকেটের কথা ভাবছিলাম; ওরা বানিয়ে দিল গতির উইকেট — একেবারে ‘আউট অব সিলেবাস’ প্রশ্ন। আমাদের ব্যাটসম্যানরা ১৪০ প্লাস গতির বোলিং দেখলেই অনভ্যাসিক আচরণ শুরু করে দেয়। নাহিদ রানা ও মেহেদী মিরাজ দুর্দান্ত বল করেছে, বিশেষ করে নাহিদ ১৪০ কিঃমিঃ বেশি গতিতে বল করছিল।”

আমির পাকিস্তানি ব্যাটিং ও নির্বাচনী নীতিকেও কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি অনুশীলনের অভাব, তরুণ খেলোয়াড়দের প্রযুক্তিগত দুর্বলতা এবং সিনিয়রদের অভাবকে দায়ী করেন। তার মন্তব্য, “শুধু তরুণদের লাগিয়ে দল হওয়া যায় না; সঠিক নির্দেশনার জন্য অভিজ্ঞ খেলোয়াড় দরকার। মাজ সাদাকাত বা শামিল হোসেনদের মতো কয়েকজনের টেকনিকে ভুল আছে — তারা মিড উইকেটে খেলতে চায়, অফ স্টাম্পের বল বোঝে না।”

তিনি আরও সতর্ক করেছেন যে ফ্রন্ট লাইন ব্যাটিংয়ে এমন দুর্বলতা অব্যাহত থাকলে পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত ‘অ্যাসোসিয়েট’ বা সহযোগী দলের স্তরে নেমে যেতে পারে। “আমরা এখন বাংলাদেশকেও হারছি; আমার ভয় হচ্ছে, আমরা কি সহযোগী দেশের মানে নামতে যাচ্ছি?”—এমন উদ্বেগ জানিয়েছেন আমির। তিনি কামরান গুলাম ও ইরফান খান নিয়াজির মতো খেলোয়াড়দের পর্যাপ্ত সুযোগ না দেয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করেন।

শেষে তিনি বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণকে কড়া সম্বর্ধনা জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতের জন্য একই ধরনের উইকেট রাখার কথাও বলেছেন। “তারা আমাদের দুম্বার মতো মেরেছে, যেন নিজেদেরও মজা পাচ্ছিল। সেই উইকেটে আমরা ১১৪ করি, তারা ১০–১২ ওভারে রান তাড়া করে ফেলল। আমি বলছি—বাংলাদেশ আপনাদের কাছে স্পিন ট্র্যাক দেবে না; তারা এমনই গতিসম্পন্ন উইকেটে খেলবে। তাদের তিনজন ফাস্ট বোলারই শক্তিশালী, বিশেষ করে নাহিদ রানা; তারা সিরিজ জিততে এই সুযোগটাই নেবে।”

পাকিস্তান সিরিজের বাকী ম্যাচগুলোতে এই নিয়ে সমাধান ও নির্বাচনী সিদ্ধান্ত কেমন হবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo