1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে

মিনেইরো ফাইনালে কিল-ঘুষি-লাথি, রেফারি দেখালেন ২৩টি লাল কার্ড

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬

দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবলের উগ্র আবেগ কখনো কখনো মাঠ ও স্টেডিয়ামকে রণক্ষেত্রে পরিণত করে—তাই এমন ঘটনা অচেনা নয়। তবু ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত মিনেইরো চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে যা ঘটল, তা বদলে দিল ফুটবলের ইতিহাসের পাতাও। ক্রুজেইরো ও অ্যাটলেতিকো মিনেইরোর মাঝে ফাইনালে একটি ক্ষুদ্র সংঘর্ষ থেকে শুরু করে মাত্র কয়েক মিনিটে ব্যাপক দাঙ্গায় পরিণত হয় ম্যাচটি, আর শেষ পর্যন্ত রেফারি ২৩টি লাল কার্ড দেখিয়ে দেন—একটি নতুন বিশ্বরেকর্ড।

শিরোপার লড়াই শেষ মুহূর্তে। ক্রুজেইরো তখন ১-০ গোলে এগিয়ে। ইনজুরি টাইমের শেষ ৩০ সেকেন্ডে ক্রুজেইরোর স্ট্রাইকার ক্রিস্টিয়ান ও অ্যাটলেতিকো’র গোলরক্ষক এভারসনের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। ঘটনার পরই কবজি হারিয়ে ফেলেন এভারসন—তিনি ক্রিস্টিয়ানকে টেনে মাটিতে ফেলেন এবং তাঁর বুকের ওপর উঠে ক্ষোভ উস্কে দেন।

রেফারি পরিস্থিতি নরম করার চেষ্টা করলেও মুহূর্তের মধ্যে উত্তেজনা আরও জোরালো হয়। পেছন থেকে ক্রুজেইরোর এক খেলোয়াড় এভারসনকে ধাক্কা দিলে গোলরক্ষক গোলপোস্টে আঘাত পেয়ে পড়েন; ঠিক এরপর থেকে দুই দলের খেলোয়াড়েরা একে অন্যকে কিল-ঘুষি ও লাথি মারতে লাগেন। বিষয়টি কেবল মাঠের খেলোয়াড়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি—ডাগআউট থেকে বেঞ্চের খেলোয়াড় এবং ক্লাব স্টাফরাও বrawl-এ জড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে নিরাপত্তাকর্মী ও সামরিক পুলিশ মাঠে হস্তক্ষেপ করে; মামলাটি প্রায় দশ মিনিটের জন্য বন্ধ রাখতে হয়। শান্তি ফিরিয়ে আনতে বলা হলেও উত্তেজনা কাটিয়ে ওঠা সহজ ছিল না। ম্যাচ পুনরায় শুরু হলে রেফারি মূহুর্তেই কাউকে সরাসরি কার্ড না দিলেও ম্যাচ শেষে ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে যে ওই ঘটনায় মোট ২৩ জন খেলোয়াড়কে লাল কার্ড দেখানো হয়েছে।

রিপোর্ট অনুসারে অ্যাটলেতিকো’র ১১ জন খেলোয়াড় লাল কার্ড পেয়েছেন—তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম ব্রাজিলীয় সাবেক তারকা স্ট্রাইকার হাল্কও রয়েছেন—এবং ক্রুজেইরোর ১২ জন খেলোয়াড় লাল কার্ড পেয়েছেন। এই সংখ্যায় ১৯৫৪ সালে দেখা ২২ লাল কার্ডের ৭২ বছরের পুরোনো রেকর্ডও টপকানো হয়েছে।

ফাইনালের এই দুর্ঘটনা ব্রাজিলীয় ফুটবলের জন্য বড় ধাক্কা—দর্শক ও ফুটবল মহলে প্রতিক্রিয়া পড়েছে এবং এখন দেখার বিষয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কি ধরনের শাস্তিমূলক বা গঠনমূলক পদক্ষেপ নেয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo