1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গভর্নরের আহ্বান: সরকারি ফি-চার্জ আদায়ে বাংলা কিউআর ব্যবহার করুন বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত তিস্তা বিপৎসীমার কাছাকাছি: চার জেলায় পানিবন্দি ৬ হাজার পরিবার আগামী পাঁচ দিনে দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের আসল রহস্য উন্মোচনে হবে ক্ষান্তি: গোলাম পরওয়ার

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের মূল উৎস খুঁজে বের করা অত্যন্ত জরুরি, যদি আমরা সম্পূর্ণভাবে এই ধরনের বিপদ থেকে মুক্তি পেতে চাই। এই মন্তব্য করেছেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা ও মহাসচিব মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পেছনে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র ছিল, যা এখনও স্পষ্ট নয়। তিনি রাজধানীর পুরানাপল্টনে জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন। সভার উদ্দেশ্য ছিল, ওই বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় সংঘটিত নির্মম ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের দাবিতে প্রস্তুতি নেওয়া। গোলাম পরওয়ার বলেন, যারা এই হত্যাকাণ্ডের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, তাদের পেছনে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী একটি গভীর ষড়যন্ত্র ছিল। যদি আমাদের দেশ এই রহস্য উন্মোচন করতে না পারে, তাহলে ভবিষ্যতে কেউ না কেউ আবার কোনওভাবেই এই ধরনের ষড়যন্ত্রের হাত থেকে রেহাই পাবেন না। এজন্য আমাদের উচিত, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের পরিচয় উদঘাটন করে সবার সামনে তুলে ধরা। এক এক করে, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে তাদের নাম জানা গেলে, বিচারের মুখোমুখি করে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, শহীদ পরিবারের আহাজারি ও অশ্রু আমাদের জন্য এক বিশাল অভিশাপ। এই অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে হলে, নাটকীয়তার তোয়াক্কা না করে, দোষীদের আইনের আওতায় এনে সুবিচার নিশ্চিত করতে হবে। তিনি দাবি করেন, এই ঘটনার বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা আর চলবে না। দ্রুত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার সম্পন্ন করতে হবে। যারা এই শোকাভিভূত সময়ে নিরপরাধ বিডিআর সদস্যদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছেন, তাদের মুক্তি ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। সভায় জামায়াতের সহকারী মহাসচিব রফিকুল ইসলাম খান মন্তব্য করেন, নিরীহ সেনা কর্মকর্তাদের হত্যার ঘটনায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানের নীরবতা প্রমাণ করে, তাঁরা এতে জড়িত থাকতে পারেন। এই হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য ছিল, দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা করে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করা, যেন স্বাধীনতাকামী শক্তির বিপক্ষে তাদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা সহজ হয়। পরিকল্পনামাফিক তারা কোথাও না কোথাও সফলতা পেয়েছে বলেও ধারণা ব্যক্ত করেন। আলোচনা সভায় আরও বক্তৃতা করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদ, নায়েবে আমির হেলাল উদ্দিন, সহকারী মহাসচিব ড. আব্দুল মান্নান এবং বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আব্দুস সালাম।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo