1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে

ইরানে ফের শুরু হয়েছে জেন-জি বিক্ষোভ

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

ইরানে সম্প্রতি আবারও জেন-জি বা গণতান্ত্রিক দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে, যা চলমান পরমাণু আলোচনা চলাকালীন সময়ে নতুন মাত্রা লাভ করেছে। রাজধানী তেহরানে গতকাল রোববার এই বিক্ষোভের দ্বিতীয় দিন ছিল, যেখানে সাধারণ ইরানি জনগণ প্রতিবাদ, সমাবেশ এবং মিছিল করেছেন।

এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে শুরু হওয়া ব্যাপক বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে বহু প্রাণহানি ঘটে। এই নিহতদের স্মরণে এবং হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে শনিবার তেহরানে তরুণ প্রজন্মের পক্ষ থেকে নতুন করে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়। এর জবাবে ক্ষমতাসীন দলের তরুণ-তরুণীরা মিছিল ও সমাবেশের মাধ্যমে নিজেদের সমর্থন জানিয়েছেন।

ফার্স নিউজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তেহরানের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়—শরিফ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, তেহরানের বিশ্ববিদ্যালয়, এবং আমির কবির বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন করে বিক্ষোভ ছড়িয়েছে। বিশেষ করে শরিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ভিডিও মাধ্যমে দেখানো হয়েছে, যেখানে তারা সাবেক শাসক শাহ মুহম্মদ রেজা শাহ পাহালভির সময়কালের পতাকা হাতে নিয়ে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছেন এবং বিগত স্বৈরশাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবি জানাচ্ছেন।

অর্থনৈতিক দিক থেকে অবনতির মুখে পড়ে যাওয়া ইরানের পরিস্থিতি আরও সংকটের মধ্যে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের একের পর এক আরোপিত নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশের অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরানি রিয়াল এখন বিশ্বের দুর্বলতম মুদ্রা হিসেবে পরিচিত। জীবনযাত্রার খরচ সহ্য করতে না পেরে ডিসেম্বরের শেষ থেকে ইরানের ব্যবসায়ী এবং দোকানমালিকরা বিভিন্ন protest শুরু করেন, যা পরে দেশব্যাপী ব্যাপক সরকারের বিরোধী বিক্ষোভে রূপ নেয়।

প্রথম দিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই আন্দোলনগুলোকে সমর্থন করেছিলেন, এমনকি ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। 그러나 পরবর্তীতে তিনি তিনি এই আন্দোলন থেকে মনোযোগ সরিয়ে পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে হুমকি পুনরায় দেন।

গত ৬ ফেব্রুয়ারি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরমাণু আলোচনার স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনার জন্য আলোচনা শুরু হলেও, এর মধ্যেই মার্কিন সেনা ও সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করে মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের উপস্থিতি বাড়িয়েছে।

গত ডিসেম্বরের শেষ থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভগুলো ছিল নজিরবিহীন। এর দমনপ্রক্রিয়ায় ইরানের সরকার কঠোরতা দেখিয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নিরাপত্তা বাহিনী ও সেনাদের গুলিতে এক দিনেই নিহত হন প্রায় ৩,০০০ এর বেশি মানুষ। কিন্তু আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর হিসাব অনুযায়ী, এই সংখ্যাটা পৌঁছে গেছে ৭,০০০ এর বেশি। তবে ইরানের বাইরে বিভিন্ন সূত্রের বরাতে জানা যায়, ডিসেম্বর ও জানুয়ারির সরকারের বিরুদ্ধে এই আন্দোলনে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ১৫,000 মানুষ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo