1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:২৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র রুখতে হবে: তারেক রহমান

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৬

বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমান বলেছেন, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে জনগণ এবং তা হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। তিনি অভিযোগ করে বলেন, কিছু মহল নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে; সেই ষড়যন্ত্র রুখে দিতে তিনি সর্বসাধারণকে সরাসরি উপস্থিত হয়ে মাঠে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী ও আশপাশের এলাকার হাজার হাজার সমর্থক।

সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারম্যান ঘোষণা করেন, বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষি বিপ্লব টিকিয়ে রাখতে এবং সেচের আওতা বাড়াতে তিনি প্রথম দিকে থমকে থাকা প্রায় এক হাজার কোটি টাকার পদ্মা সেচ প্রকল্প পুনরুজ্জীবিত করবেন। তিনি আশ্বাস দেন, ধানের শীষ বিজয়ী হলে এই প্রকল্পের সুফল রাজশাহী থেকে শুরু করে পঞ্চগড় পর্যন্ত প্রত্যেক কৃষকের ঘরে পৌঁছে দেওয়া হবে।

তারেক রহমান বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় খাল খননের কাজ শুরু হয়েছিল এবং পরবর্তীতে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার শাসনামলে নেওয়া বড় সেচ প্রকল্পগুলো উত্তরবঙ্গের কৃষিকে সমৃদ্ধ করেছিল। তিনি গলায় কষ্ট নিয়ে বলেন, পদ্মা নদী কেন্দ্রিক যে বিশাল সেচ প্রকল্পটির নিজস্ব বাজেট ছিল প্রায় এক হাজার কোটি টাকা, সেটি গত ১৬ বছরে পরিকল্পিতভাবে থামিয়ে রাখা হয়েছে। ফলে প্রকল্পটি আজ প্রায় বন্ধপ্রায়। আমাদের লক্ষ্য ঐতিহাসিক ওই প্রকল্পকে পুনরায় পূর্ণ সক্ষমতায় কার্যকর করা—এটাই তার প্রকল্পের প্রধান অঙ্গ।

বিএনপি চেয়ারম্যান আশ্বস্ত করেন, সেচ ব্যবস্থা কেবল রাজশাহীতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; রাজশাহী থেকে শুরু করে উপরের পঞ্চগড় পর্যন্ত সেচের পানি পৌঁছানো হবে। উৎপাদন বাড়লে কৃষকের আয় বাড়বে, কৃষক হাসলেই দেশের উন্নয়ন হবে—এ কথাই তিনি বারবার উদ্ধৃত করেন।

রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম চাষিদের দুর্দশার কথাও তুলে ধরে তিনি বলেন, আম সংরক্ষণের কোনো আধুনিক ব্যবস্থা নেই। ক্ষমতায় এলে আম সংরক্ষণের জন্য বিশেষায়িত কোল্ড স্টোরেজ ও গুদাম নির্মাণ করা হবে, যাতে মৌসুমে আম পচে যাওয়ার ভয় কমে এবং চাষিরা ন্যায্য মূল্য পায়।

সেচ প্রকল্পের পাশাপাশি তিনি পদ্মা নদীর ওপর নতুন একটি ‘পদ্মা ব্রিজ’ নির্মাণের আশ্বাস দেন, যা নির্মিত হলে উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ আর অর্থনীতি ব্যাপকভাবে উন্নত হবে। পাশাপাশি প্রান্তিক নারী-শক্তি শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে প্রতিটি পরিবারে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর প্রতিশ্রুতি দেন; এই কার্ডের মাধ্যমে মা-বোনেরা সরাসরি সরকারি সুবিধা পাবেন এবং স্বনির্ভর হবেন।

২২ বছর পর সরাসরি রাজশাহীতে উপস্থিত হয়ে জনসভায় তারেক রহমানের আগমন দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। তিনি উপস্থিত নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন, উন্নয়ন ও নির্বাচনী বার্তাগুলো প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। তিনি পুনরায় বন্ধ্যা করে বলেন, ‘ধানের শীষ শুধু প্রতীক নয়, এটা উত্তরবঙ্গের কৃষকের ভাগ্য বদলের চাবিকাঠি।’

সমাবেশে রাজশাহী বিভাগের আট জেলাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে লক্ষাধিক মানুষ সমবেত হন, যা শহরকে কার্যত অচল করে দেয়। জনতার এই প্রভাব ও মহত্ত্বের মাঝেই তারেক রহমান নির্বাচনী লড়াই জোরদার করার আহ্বান জানিয়ে সভা শেষ করেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo