1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান জামালপুরে ভাঙা ড্রাম ব্রিজে পড়ে শতাধিক মানুষ, ৩ শিশু নিহত আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি — বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীসহ মুসলমানদের ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান দেশের মানুষ ও বিশ্ব মুসলিমদের পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা ঈদুল ফিতরে পদ্মা-যমুনা সেতুতে রেকর্ড যানবাহন পারাপার ও টোল আদায় ঈদযাত্রায় ৩ দিনে পদ্মা সেতুতে ১৩ কোটি ২১ লাখ ৫১ হাজার ৮০০ টাকার টোল আদায় নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন

বিএনপি এতই খারাপ হলে ওই দুই মন্ত্রী কেন পদত্যাগ করেননি: তারেক রহমান

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬

বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান বলেছেন, যারা এখন বিএনপিকে দুর্নীতির অভিযোগে আক্রমণ করছে তারা নিজেরাই মিথ্যা বলছে—কারণ ২০০১-২০০৬ সালেও তাদেরই দুইজন মন্ত্রী তখন বিএনপি সরকারের অংশ ছিলেন। যদি বিএনপি এতই দুর্বল ও দুর্নীতিগ্রস্ত হতো, তবে ওই দুই মন্ত্রী কেন তখন পদত্যাগ করে চলে আসেননি? তিনি এ প্রশ্ন তুলেছেন।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে ময়মনসিংহ জেলা সার্কিট হাউস মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনি জনসভায় এসব কথা বলেন তারেক রহমান। বেলা ৪টা ০৩ মিনিটে স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানের সঙ্গে মঞ্চে ওঠেন তিনি। বক্তব্য শুরু করার আগে ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি সংসদীয় আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের মঞ্চে দাঁড় করিয়ে পরিচয় করিয়ে দেন। ৪টা ২৬ মিনিটে উপস্থিত জনতাকে সালাম করে বক্তব্য শুরু করেন এবং ৪টা ৫২ মিনিটে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চেয়ে বক্তব্য শেষ করেন। সভার শেষে তার গাড়িবহর গাজীপুরের উদ্দেশে রওনা হয়।

তারেক রহমান বলেন, তারা (বহির্গামী বলছে) বিএনপি দুর্নীতির চ্যাম্পিয়ন ছিল—তবে ২০০১ সালে বেগম খালেদা জিয়া সরকার ক্ষমতায় যাওয়ার পর দেশ দুর্নীতির করাল শাসন থেকে মুক্ত হতে শুরু করে। ওই সময় যে দুই মন্ত্রী ছিলেন, তারা কেন পদত্যাগ করেননি—এই প্রশ্নের মধ্যে সার্বিকতা বোঝানো হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ওই দুই মন্ত্রী জানতেন যে বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হস্তে ব্যবস্থা গ্রহণ করতেন, তাই তারা তখনই বিএনপির সাথে থাকতে চাননি না।

অনুষ্ঠানে তিনি অভিযুক্ত দলের বৈরিতার উল্লেখ করে বলেন, আন্তর্জাতিক নানা পরিসংখ্যানও প্রমাণ করে যে আগের স্বৈরাচারি শাসনামলে দেশের দুর্নীতির মাত্রা ছিল খুব বেশি। সেই প্রেক্ষাপটে ২০০১ থেকে বদলে যাওয়া পরিস্থিতির কথা তিনি সামনে তুলেছেন।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান ভোটের দিন কার্যকর পদক্ষেপের নির্দেশ দেন—তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ার পর সকলে কেন্দ্রে গিয়ে ফজরের নামাজ আদায় করে, তারপর লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, শুধু ভোট দিয়ে চলে আসলেই হবে না; ভোট পড়া ও ফল রক্ষা নিশ্চিত করতে হবে যেন কেউ ভোট লুট করতে না পারে।

আগামী ১২ তারিখ ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ভোটের পর খাল খনন কর্মসূচিতে আবার সবাইকে দেখতে চান—সেদিন সবাই কোদাল নিয়ে আসবেন এবং তিনি নিজেও সেখানে থাকবেন।

সভায় স্থানীয় নেতাকর্মীরা উল্লসিত স্লোগান দিতে থাকেন—‘তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’ ও ‘আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান’—এসময় তাকে লাল গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। মঞ্চে উঠে স্থানীয় নেতারা ময়মনসিংহের তারাকান্দা পৌরসভায় রূপান্তরের দাবি তুলেন।

তারেক রহমান মঞ্চে ওঠার আগে ধানের শীষ প্রতীকের ২৪ জন প্রার্থী বক্তব্য রাখেন। বক্তাদের মধ্যে ছিলেন ইকবাল হোসেন, সুলতানা আহমেদ বাবু, মোতায়ের হোসেন বাবু, মাহমুদুল হক, ফরিদুল কবির তালুকদার, সিরাজুল হক, মাহবুব রহমান লিটন, মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু ও লতফুরজ্জামান বাবর। প্রার্থীরা নিজেদের মধ্যে যে দ্বন্দ্ব ছিল তা ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে নেতাকর্মীদের আহ্বান জানান এবং স্লোগান দেন—‘নৌকা গেছে ভারতে, ধানের শীষ গদিতে’।

লতফুরজ্জামান বাবর সভায় বলেন, আমরা ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসন তারেক রহমানকে উপহার দিতে চাই এবং ভবিষ্যতে তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo