1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

বিএনপি এত খারাপ হলে ২০০১–২০০৬ সালের ওই দুই মন্ত্রী কেন পদত্যাগ করেননি: তারেক রহমান

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, যারা এখন বিতর্কিত এক দল বদলা‑খোঁজা স্বৈরাচারের ভাষা ব্যবহার করে বিএনপির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলছে, তারা মিথ্যা বলছে। তাঁর প্রশ্ন ছিল—বিএনপি যদি সত্যিই এতই দুর্নীতিগ্রস্ত হত, তবে ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের সময়ে ওই সরকারের құрамে থাকা তাদের দুইজন মন্ত্রী কেন তখন পদত্যাগ করেননি?

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে ময়মনসিংহ জেলা সার্কিট হাউস মাঠে আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি। মঞ্চে ওঠেন বিকাল ৪টা ৩ মিনিটে পরিচালক স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানসহ। জনসভায় উপস্থিত লোকদের প্রতি সালাম জানিয়ে বক্তব্য শুরু করেন বিকাল ৪টা ২৬ মিনিটে এবং ধানের শীষের পক্ষে মত চাইতে তিনি বক্তব্য শেষ করেন বিকাল ৪টা ৫২ মিনিটে। এর পর তার গাড়িবহর গাজীপুরের উদ্দেশে রওনা হয়।

বক্তৃতার সময় তিনি ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি সংসদীয় আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের মঞ্চে দাঁড় করিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। তিনি বলেন, “তৎকালীন সরকারের সেই দুই মন্ত্রী জানতেন বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিতেন না, তাই তারা পদত্যাগ করেনি।” তিনি আরো বলেন, আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানও দেখায় যে পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারের সময় দেশ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত ছিল, কিন্তু ২০০১ সালে যখন বেগম খালেদা জিয়া দায়িত্ব নেন, তখন থেকেই দুর্নীতি দমন শুরু হয়।

তারেক রহমান এমন কোনো দলকে তীব্রভাবে নিন্দা করেন যারা এখন বিএনপিকে দোষারোপ করে—তার যুক্তি, সরকারের প্রথম দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত ওই দলের দুই মন্ত্রীর পদে থাকা নিজেই তাদের বক্তব্যের মিথ্যা প্রমাণ।

নেতাকর্মীদের প্রতি তিনি ভোটের গুরুত্ব নিয়ে অনুরোধ করে বলেন, ভোটের দিন সবাই তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে কেন্দ্র গিয়েই ফজরের নামাজ আদায় করবেন। এরপর লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেবেন; কেবল ভোট দিয়ে চলে এসে নয়, ভোটের ফলাফল লক্ষ্য করে থাকতে হবে যাতে কেউ আমাদের ভোট লুট করতে না পারে।

আগামী ১২ তারিখ ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনের পর আবার খাল খনন কর্মসূচিতে সবাইকে নিয়ে মিলিত হবেন—সেদিন সবাই কোদাল নিয়ে সামনে হাজির হবে এবং তিনি নিজেও থাকবেন।

নেতৃত্ব আগমনের আগে-পরেই স্থানীয় নেতাকর্মীরা স্লোগান দিয়ে তাকে স্বাগত জানান। উপস্থিতরা “তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম” ও “আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান” স্লোগান দেন এবং মঞ্চে তাঁর প্রতি লাল গোলাপ তুলে শ্রদ্ধা জানানো হয়। মঞ্চে ওঠার আগে স্থানীয় নেতারা ময়মনসিংহের তারাকান্দাকে পৌরসভা করার দাবি জানান।

মঞ্চে ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসনের ধানের শীষ প্রার্থীরা বক্তব্য রাখেন; তাদের মধ্যে ছিলেন ইকবাল হোসেন, সুলতানা আহমেদ বাবু, মোতায়ের হোসেন বাবু, মাহমুদুল হক, ফরিদুল কবির তালুকদার, সিরাজুল হক, মাহবুব রহমান লিটন, মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু ও লুৎফুরজ্জামান বাবর। প্রার্থীরা নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করার দাবি জানান এবং সমর্থকদের একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

লোকজন ‘নৌকা গেছে ভারতে, ধানের শীষ গদিতে’ শ্লোগান দেন। লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, “আমরা ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসন তারেক রহমানকে উপহার দিতে চাই এবং ভবিষ্যতে তাঁকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই।”

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo