1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৮:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত

শামীমের দুর্দান্ত ব্যাটিং সত্ত্বেও সিলেটের কাছে হারল ঢাকা

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২ জানুয়ারী, ২০২৬

বিপিএল শুরুতেই দারুণ এক জয় দিয়ে প্রত্যাশা জাগিয়েছিলেন ঢাকা ক্যাপিটালস। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে তারা হোঁচট খায় সিলেট টাইটান্সের বিরুদ্ধে। ম্যাচের অন্যতম কীর্তি ছিলেন সিলেটের অলরাউন্ডার আজমতউল্লাহ ওমরজাই, যিনি ব্যাট ও বল উভয় ক্ষেত্রেই দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। আর ঢাকা অধিনায়ক শামীম হোসেন পাটোয়ারি শেষ পর্যন্ত তাঁর দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে দর্শকদের তাক লাগিয়ে দেন। আসরের মাঠ ছিল সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, যেখানে টস জয় করে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ঢাকা অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। ঢাকা দলে দুটি পরিবর্তন হয়—তাসকিন আহমেদ ও জুবাইদ আকবরকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, পক্ষ বদলে সিলেট দলে সুযোগ পান আফগান অলরাউন্ডার আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ব্যাটিংয়ে নেমে সিলেটের শুরুটা মোটেও ভাল হয়নি। রনি তালুকদার ৭ বলে ১১ রান করে ফিরে যান, অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজও ব্যর্থ হন। ৭ বলে ৬ রান করে আউট হলে দল ২২ রানে দুই উইকেট হারায়। এরপর পরিস্থিতি সামাল দেন পারভেজ হোসেন ইমন ও সাইম আইয়ুব। ইমন দুর্দান্ত আগ্রাসী ব্যাটে দ্রুত রান তুললেও, সাইম একটু ধীরস্থির ছিলেন। পাকিস্তানি ওপেনার সাইম ৩৪ বলে ২৯ রান করেন। ইমন ৪৪ রানে অল্পের জন্য ফিফটি মিস করেন, তার ব্যাট থেকে আসে ৩২ বলে ৪৪ রান, যেখানে ছিল দুটি চার ও দুটি ছক্কা। আফিফ হোসেন ধ্রুব ১৩ রান করে ফিরে গেলে আবার চাপ বাড়ে সিলেটের ওপর। তবে শেষদিকে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়া সিলেটের জন্য সব বদলে দেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। তিনি ইংলিশ তরুণ ইথান ব্রুকসের সঙ্গে मिलकर ইনিংসের গতি বাড়ান। ১৫ রানে জীবন পেয়ে ওমরজাই একের পর এক বেঁচে যান, এরপর ঢাকার বোলারদের ওপর চড়া হয়। বিশেষ করে সালমান মির্জার বলে কয়েকটি ক্যাচ মিস হয়, যা সিলেটের জন্য স্বস্তির ব্যাপার। ইনিংসের শেষ বলে চার হাঁকিয়ে মাত্র ২৪ বলে নিজের অর্ধশতক পূরণ করেন ওমরজাই, যা আসরের দ্রুততম ফিফটি। নির্ধারিত ২০ ওভারে সিলেটের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ১৭৩ রান। তাসকিন আহমেদ এই ম্যাচে ৪ ওভারে ৪৬ রান খরচ করেন। লক্ষ্য সেটির জন্য ঢাকার শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয় দেখা দেয়। উসমান খান ১৫ বল মাঠে থাকতেই ২১ রান করেন, কিন্তু সাইফউদ্দিন, আকবরি, মিঠুন ও নাসির হোসেনের ব্যর্থতায় দ্রুতই ম্যাচ ঢাকার হাতছাড়া হওয়ার শঙ্কা দেখা দেয়। ষষ্ঠ উইকেটের জন্য শামীম হোসেন পাটোয়ারি ও সাব্বির রহমান কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। সাব্বির ১৯ বলে ২৩ রান করেন, এক চার ও দুটি ছক্কায়। তবে শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেলেও জয় অসম্ভব হয়ে পড়ে। শামীমের ব্যাট থেকে আসে ৪৩ বলে অপরাজিত ৮১ রান, যা শতকের খুব কাছাকাছি। শেষ ওভারে ঢাকার জিততে প্রয়োজন ছিল ২৭ রান। শুরুতে চমক দেখানো আমির শেষ ওভারে ২০ রান দেন, তবে মোকাবিলা সহজ হয়নি। অবশেষে হার দিয়ে মাঠ ছাড়ে ঢাকা ক্যাপিটালস, আর জেতেন অ্যালরাউন্ড পারফরম্যান্সের মাধ্যমে সিলেট টাইটান্স।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo