1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে ড্রাম ব্রিজ ভেঙে নদীতে পড়ে শতাধিক, ৩ শিশু নিহত, ২ নিখোঁজ আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান জামালপুরে ভাঙা ড্রাম ব্রিজে পড়ে শতাধিক মানুষ, ৩ শিশু নিহত আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি — বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীসহ মুসলমানদের ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান দেশের মানুষ ও বিশ্ব মুসলিমদের পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা ঈদুল ফিতরে পদ্মা-যমুনা সেতুতে রেকর্ড যানবাহন পারাপার ও টোল আদায়

ইন্দোনেশিয়ায় বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ছাড়ালো ৯০০

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

ইন্দোনেশিয়ায় ঘূর্ণিঝড়, প্রবল বর্ষণ এবং তার ফলে সৃষ্টি হওয়া বন্যা ও ভূমিকম্পজনিত ধ্বংসযজ্ঞে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে কমপক্ষে ৯১৬। এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে সুমাত্রা ও আচেহ প্রদেশের বিভিন্ন গ্রাম, শহর এবং উপকূলীয় এলাকাগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এখনো নিখোঁজ আছেন অন্তত ২৭৪ জন। এ তথ্য প্রকাশ করেছে রয়টার্স, প্রাদেশিক ও কেন্দ্রীয় সরকারের বরাত দিয়ে শনিবার।

আচেহ প্রদেশের তামিয়াং জেলার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ভয়াবহ বন্যার কারণে খাদ্য, পানি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের সংকটে পড়েছেন তারা। বিশেষ করে দূরবর্তী এলাকার রাস্তা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

তামিয়াং জেলার একটি ইসলামি স্কুলের ১৪ বছর বয়সী শিক্ষার্থী দিমাস ফিরমানসিয়াহ রয়টার্সকে বলেন, পুরো সপ্তাহ ধরে স্কুলের হোস্টেলে আটকা আছি। পানির সংস্থান ফুরিয়ে যাওয়ায় বন্যার পানি পান করতে হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা আরও জানাচ্ছেন, সরকারি সহায়তা কেন্দ্র থেকে তারা খাবার ও পানির জন্য ব্যাপক ভোগান্তির মুখোমুখি হচ্ছেন।

যদিও ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রবাও সুবিয়ান্তো গত কিছু দিন আগে বলেছিলেন, পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে এবং বিপর্যয় মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতিও সন্তোষজনক। তবে সুমাত্রা ও আচেহ প্রদেশের কর্মকর্তারা এই বক্তব্যের সাথে একমত বিরত থাকেননি। তারা কেন্দ্রীয় সরকারের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণার দাবি জানিয়ে আসছেন।

প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের পেছনে অনেকের অভিযোগ, বনজঙ্গল উজাড় ও অবৈধ খনি খননের ফলে পরিবেশের ক্ষতি বিস্তারিত হয়েছে। বিশেষ করে চীনের জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নর্থ সুমাত্রা হাইড্রো এনার্জি এবং স্বর্ণ খনির অনুসন্ধান ও উত্তোলনের সঙ্গে এই বিপর্যয়ের সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করেন পরিবেশবাদীরা। বেশিরভাগ কোম্পানি চীনের অর্থায়নে কাজ করছে।

রয়টার্স স্থানীয় সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করলেও এই দুই কোম্পানির প্রতিনিধিরা কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি।

বন্যা, ঘূর্ণিঝড় সেনিয়ার এবং অন্যান্য মৌসুমি ঝড় ও ভারী বর্ষণের কারণে গত নভেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে এই অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ শুরু হয়। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সুমাত্রা ও আচেহ প্রদেশ। পাশাপাশি ভূমিধসের ঘটনাও ঘটেছে, যার ফলে মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo