1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

কার্গো টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডে রপ্তানি খাতে ক্ষতি ১২ হাজার কোটি টাকা: ইএবি

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫

দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো টার্মিনালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দেশের রপ্তানি খাতে মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিক ধারনা অনুযায়ী, এই ঘটনায় প্রায় এক বিলিয়ন ডলার বা অর্থাৎ বারো হাজার কোটি টাকার পণ্যের ক্ষতি হয়েছে। আজ (২০ অক্টোবর, সোমবার) রপ্তানি ও শিল্পখাতের নানা সংগঠনের মিলিত প্ল্যাটফর্ম, এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইএবি), এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য প্রকাশ করে। এই সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। তিনি বলেন, এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে শুধু ব্যবসায়ীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি, বরং সরকারের আকারেও বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা নষ্ট হয়েছে এবং মূল বাজার হারানোর আশঙ্কা গড়িয়ে আসছে। মোহাম্মদ হাতেম আরও বলেন, আমরা চাই এই ঘটনার সুষ্ঠু ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত সম্পন্ন করে সরকার ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণ করে দ্রুত পুনরুদ্ধারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। শাহজালাল বিমানবন্দর দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের হৃদয়ের কেন্দ্রবিন্দু—এখানে এমন অঘটন ফের বলতে চাই না। সংবাদ সম্মেলনে ইএবি নেতারা বলেন, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং অঞ্চল দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র। এখানে প্রতিদিন কোটি কোটি ডলারের পণ্য ওঠানামা করে। এত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থানে অগ্নিকাণ্ড নিছক দুর্ঘটনা নয়, বরং এটি নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুতর দুর্বলতার ঝলকানি। তারা প্রশ্ন তোলে—এখানে কি কোনো স্বয়ংক্রিয় ফায়ার ডিটেকশন বা ফায়ার প্রোটেকশন সিস্টেম ছিল? অগ্নিকাণ্ডের সময় বিমানবন্দরের নিজস্ব ফায়ার ফাইটিং টিম কী অবস্থানে ছিল? বাইরে থেকে ফায়ার সার্ভিস আসতে এতটা সময় কেন লেগে গেল? নেতারা অভিযোগ করেন, সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ (সিএএবি), কাস্টমস হাউস ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স—এই তিন সংস্থা বিমানবন্দরের কার্গো টার্মিনালের দেখভাল অভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে ব্যর্থ হয়েছে। প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, এই অগ্নিকাণ্ডে পোশাক, চামড়া, হিমায়িত মাছ, কৃষিপণ্য, ফলমূল, ওষুধের কাঁচামালসহ বিভিন্ন ধরনের রপ্তানি পণ্য পুড়ে গিয়েছে। অনেক ক্রেতা তাদের অর্ডার বাতিল করেছেন এবং বিদেশি ব্র্যান্ডগুলো বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে ছয় দফা দাবি জানানো হয়, যার মধ্যে রয়েছে— ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত বিমা দাবি নিষ্পত্তি, বীমার আওতার বাইরে থাকা পণ্যগুলোর জন্য বিশেষ সরকারি তহবিলের ব্যবস্থা, বিমানবন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং আধুনিক ও নিরাপদ করার উদ্যোগ, রপ্তানি পণ্যের নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়নের পদক্ষেপ, আধুনিক স্ক্যানার ও মনিটরিং সিস্টেমের স্থাপন, কার্গো ব্যবস্থাপনার ডিজিটালাইজেশন এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার। তারা আরও দাবি করেন, এই অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগ—সিভিল এভিয়েশন, কাস্টমস ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত কমিটি গঠন করা দরকার। এতে এই ধরনের দুর্ঘটনা ভবিষ্যতে আর যাতে না ঘটে, তা নিশ্চিত করার প্রত্যাশা রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo