1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৯:৩৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত

২০৩০ সাল নাগাদ ১২০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ প্রয়োজন

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৩

২০৩০ সালের মধ্যে জলবায়ু অভিযোজনে অন্তত ১ দশমিক ২ বিলিয়ন বা ১২০ কোটি ইউএস ডলার বিনিয়োগ না করলে বাংলাদেশ বড় ঝুঁকির সম্মুখীন হবে। এতে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ১১ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হতে পারে, যা প্রাক্কলিত ওই বিনিয়োগের প্রায় ১০ গুণ।

সম্প্রতি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। গতকাল রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ওই প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক জানানো হয়। বাংলাদেশ, ভারত, চীন, পাকিস্তানসহ ১০টি বাজারে জলবায়ু অভিযোজনে বিনিয়োগের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে গবেষণাটি চালিয়েছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড।

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বলছে, জলবায়ু পরিবর্তনের সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলার জন্য প্রয়োজন সময়োপযোগী বিনিয়োগ। এটি করা গেলে বিলিয়ন ডলার ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাবও রোধ করা সম্ভব হবে।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ওই ১০টি বাজারে জলবায়ু অভিযোজনের ক্ষেত্রে অন্তত ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ না করলে তাদের জিডিপিতে মোট ৩৭৭ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। সম্ভাব্য এই বিনিয়োগের পরিমাণ দেশগুলোর বার্ষিক জিডিপির মাত্র শূন্য দশমিক ১ শতাংশের মতো।

উল্লেখ্য, জলবায়ু অভিযোজনের উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে বন্যার ঝুঁকিতে থাকা অঞ্চলগুলোয় উপকূলীয় বাঁধ-সুরক্ষা নির্মাণ, খরা-প্রতিরোধী ফসলের বিকাশ এবং ভবিষ্যৎ প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিরুদ্ধে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা ইত্যাদি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ক্ষেত্রে অর্থায়নে ব্যাংক খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ১৫০ জন ব্যাংকার, অ্যাসেট ম্যানেজার এবং বিনিয়োগকারী জানিয়েছেন, তাঁদের মূলধনের মাত্র ০.৪ শতাংশ এই অভিযোজনে জন্য বরাদ্দ রয়েছে। তাঁদের ৫৯ শতাংশই আগামী বছরে অভিযোজন বিনিযয়োগ বাড়াতে আগ্রহী। ২০২২ সালে অভিযোজন অর্থায়ন ছিল বৈশ্বিক সম্পদের শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ। এটি ২০৩০ সাল নাগাদ ১ দশমিক ৪ শতাংশে উন্নীত হবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড অব করপোরেট অ্যাফেয়ার্স, ব্র্যান্ড অ্যান্ড মার্কেটিং বিটপী দাস চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের মতো একটি দেশে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এই দশকে আমরা যদি অভিযোজনে বিনিয়োগে ব্যর্থ হই, তবে তা বিভিন্ন সুযোগ হারানোর ঝুঁকি বাড়াবে। তাই এ নিয়ে কাজ শুরু করার এখনই উপযুক্ত সময়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo