1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
হামে শিশুর মৃত্যু: ইউনূস, নূরজাহানসহ চারজনকে আসামি করার আবেদন খারিজ বাংলাদেশের বন্যায় নিহত-আহতদের নিয়ে মর্মাহত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ চলতি বছরেই সব উপজেলা হাসপাতালে ক্যাথল্যাব স্থাপন করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী টেকনাফে পাহাড় থেকে পড়ে আহত ৪০ বছর বয়সী মা হাতির মৃত্যু ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা কেন? শেখ হাসিনাকে এখনই দেশে ফেরার আহ্বান—আসিফ নজরুল চট্টগ্রাম অঞ্চলে ছয় দিনে বন্যা ও পাহাড়ধসে ৪৩ জন নিহত বন্যার প্রেক্ষাপটে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা কেন — এখনই দেশে ফিরুন: অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল হাটহাজারীতে পুলিশের ‘সোর্স’ বলে জানানো দর্জিকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা চট্টগ্রামে বন্যা মোকাবিলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন

এডিবি: ২০২৭ সালে বাংলাদেশের জিডিপি ৪.৫ শতাংশে পৌঁছাতে পারে

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) মনে করছে, নানা বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের অর্থনীতি ধীরে ধীরে পুনরায় গতিপ্রাপ্ত হচ্ছে। এডিবি’র সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে যে ২০২৭ অর্থবছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৪.৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

এডিবি শুক্রবার (৯ জুলাই) প্রকাশিত ‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (এডিও) জুলাই ২০২৬’ প্রতিবেদনে এই পূর্বাভাস জানায়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি আনুমানিক ৩.৭ শতাংশ হতে পারে, কিন্তু ধারাবাহিক নীতি সংস্কার ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক অবস্থা সুদৃঢ় হলে পরবর্তী বছরে প্রবৃদ্ধি আরও জোরালো হবে।

এডিবি’র বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান আকিরা মাতসুনাগা বলেন, কঠিন বৈশ্বিক ও আভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক পরিবেশ থাকা সত্ত্বেও শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং সেবা খাতের ধারাবাহিক কার্যক্রম দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করেছে।

তিনি আরও বলেন, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জোরদার করা, বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করা, আর্থিক খাতে সুশাসন নিশ্চিত করা এবং জ্বালানি ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করতে ধারাবাহিক সংস্কার অত্যন্ত জরুরি। এসব পদক্ষেপ বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াবে, মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং অর্থনীতির স্থিতিশীলতাকে আরও মজবুত করবে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে, তীব্র সামষ্টিক আর্থিক চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও শক্তিশালী রেমিট্যান্স, সেবা খাতের সম্প্রসারণ এবং অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতে লক্ষ্যভিত্তিক ঋণ সহায়তা ২০২৬ অর্থবছরের প্রবৃদ্ধিকে সমর্থন করবে।

এডিবি’র অনুমান অনুযায়ী ২০২৬ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি প্রায় ৯.০ শতাংশ থাকতে পারে এবং পরিস্থিতি উন্নতি হলে ২০২৭ অর্থবছরে তা কিস্তিতে নেমে ৮.৮ শতাংশে পৌঁছাবে।

সংস্থা গুরুত্বারোপ করেছে যে মাঝারি পর্যায়ের মূল্যস্ফীতি বজায় রাখা, ব্যবসা পরিচালনার বিধি-নিষেধ সহজ করা, সুশাসন উন্নত করা, কর প্রশাসনে সংস্কার আনা এবং রেমিট্যান্সে প্রণোদনা অব্যাহত রাখলে ২০২৭ অর্থবছরে বেসরকারি ভোগব্যয় ও বিনিয়োগ অধিকতর শক্তিশালী হবে। সেবা খাতও সামনের সারিতে থেকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

অবশেষে এডিবি সতর্ক করে দিয়েছে যে টেকসই প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা, প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়ানো এবং বহিরাগত শক মোকাবিলায় বাংলাদেশের পূর্বসারি নীতি সংস্কার এবং বিচক্ষণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা ছাড়া বিকল্প নেই। ধারাবাহিক সংস্কারই দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে সহায়তা করবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo