1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০২:৫০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
তুরাগে মরদেহ উদ্ধারের দাবি বিভ্রান্তিকর: ডিএমপি হাদি হত্যা মামলার তদন্ত ১৭তম বার পেছালো, শুনানি হবে ১৫ জুলাই হাদি হত্যা মামলা: তদন্ত ১৭তমবারও পিছিয়ে, শুনানি আগামী ১৫ জুলাই ধার্য এ বছরই দেশে ফিরব, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতেই: শেখ হাসিনা হাদি হত্যা মামলার তদন্ত ১৭তমবার পেছালো সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর সংসদে আশা: প্রস্তাবিত বাজেট দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ ঝামেলামুক্ত করবে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফরের জন্য ধন্যবাদ প্রস্তাব পাস মালয়েশিয়া ও চীন সফরের সফলতায় প্রধানমন্ত্রীকে সংসদের ধন্যবাদ — প্রস্তাব কণ্ঠভোটে পাস মালয়েশিয়া আসিয়ানে সমর্থন দেবে, চীন তিস্তায় সর্বোচ্চ সহায়তা দেবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলার জরুরি সহায়তা দিচ্ছে

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬

বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে প্রায় ১ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা) জরুরি সহায়তা দিচ্ছে। সহায়তার লক্ষ্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কৃষি উৎপাদন সচল রাখা, মানুষের জীবিকা রক্ষা করা এবং বৈশ্বিক সার ও জ্বালানির বাজার অস্থিরতার প্রভাব মোকাবিলা করা।

শুক্রবার (২৬ জুন) বিশ্বব্যাংকের দুটি পৃথক প্রকল্পের আওতায় এসব অর্থায়ন অনুমোদিত হয়, এমন তথ্য জানানো হয়েছে ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশের জন্য বিভাগীয় পরিচালক জ্যাঁ পেসমে বলেন, এই সহায়তা ধান উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে, মানুষ ও কৃষকদের জীবিকা রক্ষা করতে এবং জরুরি সেবাগুলো অব্যাহত রাখতে সহায়ক হবে।

প্রথম প্রকল্প ‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট ফর ফুড সিকিউরিটি প্রজেক্ট’-এর জন্য ৩০ কোটি ডলার (প্রায় ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা) রাখা হয়েছে। এই তহবিল মূলত ২০২৬ সালের জুলাই-অক্টোবরের আমন মৌসুম এবং ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৭ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বোরো মৌসুমে প্রয়োজনীয় সার আমদানির খরচে ব্যবহার করা হবে।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট সার চাহিদার ৮৫ শতাংশের বেশি আমদানির উপর নির্ভরশীল। প্রকল্পের আওতায় ৬ লাখ টন গুরুত্বপূর্ণ সার আমদানি করা হবে, যার অর্ধেকই ইউরিয়া হবে। এ কর্মসূচির ফলে প্রায় ১৪ লাখ হেক্টর জমিতে ক্ষুদ্র কৃষকরা তাদের ধান চাষ অব্যাহত রাখতে পারবেন।

প্রকল্পটির টাস্ক টিম লিডার ও বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ সুলেমান কৌলিবালি বলেন, দেশের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৯০ শতাংশ আসে আমন ও বোরো মৌসুম থেকেই। পাশাপাশি দেশের আনুমানিক অর্ধেক মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। সুতরাং সারের সরবরাহে বাধা পড়লে শুধু খাদ্য নিরাপত্তিই নয়, কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য পরিস্থিতিও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

অন্যদিকে ‘কনটিনজেন্ট ইমার্জেন্সি রেসপন্স প্রজেক্ট’-এর আওতায় ৭১ কোটি ৩০ লাখ ডলার (প্রায় ৮ হাজার ৫৫৬ কোটি টাকা) বরাদ্দ করা হয়েছে। এই অর্থ দ্রুত ছাড় করা হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের নগদ সহায়তা, জীবিকা পুনরুদ্ধার কর্মসূচি এবং জরুরি সার, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহে ব্যবহৃত হবে। একই সঙ্গে খাদ্য, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ বজায় রাখতে জ্বালানির খরচেও অর্থ খরচ করা হবে। এই তহবিল ৩০ জুনের মধ্যে ছাড় করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ লেসলি জিন ইউ করদেরো বলেন, বিদ্যমান প্রকল্পগুলোর অব্যবহৃত অর্থ পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে দ্রুত তহবিল ছাড়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর ফলে মানুষ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও কর্মসংস্থানকে অপ্রত্যাশিত অর্থনৈতিক ধাক্কা থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।

বিশ্বব্যাংকের এই সহায়তা বাংলাদশের খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষি উৎপাদন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo