1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০১:১৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
হাদি হত্যা মামলা: তদন্ত ১৭তমবারও পিছিয়ে, শুনানি আগামী ১৫ জুলাই ধার্য এ বছরই দেশে ফিরব, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতেই: শেখ হাসিনা হাদি হত্যা মামলার তদন্ত ১৭তমবার পেছালো সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর সংসদে আশা: প্রস্তাবিত বাজেট দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ ঝামেলামুক্ত করবে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফরের জন্য ধন্যবাদ প্রস্তাব পাস মালয়েশিয়া ও চীন সফরের সফলতায় প্রধানমন্ত্রীকে সংসদের ধন্যবাদ — প্রস্তাব কণ্ঠভোটে পাস মালয়েশিয়া আসিয়ানে সমর্থন দেবে, চীন তিস্তায় সর্বোচ্চ সহায়তা দেবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফেনীতে দোকান বিরোধে দুই ছাত্রলীগের হাতে যুবলীগ কর্মীর গলা ও হাত বিচ্ছিন্ন মরদেহ উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর চীন ও মালয়েশিয়া সফরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও দৃঢ়

বিশ্বব্যাংক দিলো বাংলাদেশকে প্রায় ১.১ বিলিয়ন ডলারের জরুরি সহায়তা

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬

বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে প্রায় ১ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা) জরুরি সহায়তা দিচ্ছে। এই তহবিল খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কৃষি উৎপাদন বজায় রাখা, মানুষের জীবিকা রক্ষা এবং বৈশ্বিক সার ও জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার প্রভাব মোকাবিলায় ব্যবহার করা হবে।

শুক্রবার (২৬ জুন) দুটি পৃথক প্রকল্পের আওতায় এসব অর্থায়ন অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে বিশ্বব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের বিভাগীয় পরিচালক জ্যাঁ পেসমে বলেন, এই সহায়তার মাধ্যমে ধান উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সার সরবরাহ নিশ্চিত করা, মানুষের জীবিকা ও কর্মসংস্থান রক্ষা এবং জরুরি সেবা অব্যাহত রাখতে সহায়তা করা হবে।

একটির নাম ‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট ফর ফুড সিকিউরিটি প্রজেক্ট’—এ আওতায় ৩০ কোটি ডলার (প্রায় ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা) দেওয়া হবে। এই অর্থ দিয়ে ২০২৬ সালের জুলাই-অক্টোবরের আমন মৌসুম এবং ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৭ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বোরো মৌসুমে প্রয়োজনীয় সার আমদানিতে সহায়তা করা হবে।

বিশ্বব্যাংকের তথ্যে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অনেকে সারের ওপর নির্ভরশীলতা বেশি; মোট সারের চাহিদার ৮৫ শতাংশের বেশি আমদানিই হয়। এই প্রকল্পের মাধ্যমে মোট প্রায় ৬ লাখ টন গুরুত্বপূর্ণ সার আমদানির অর্থায়ন করা হবে, যার অর্ধেকই ইউরিয়া। এর ফলে প্রায় ১৪ লাখ হেক্টর জমিতে ছোট ও মাঝারি কৃষকরা ধান উৎপাদন অব্যাহত রাখতে পারবেন।

প্রকল্পটির টাস্ক টিম লিডার ও বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ সুলেমান কৌলিবালি বলেন, দেশের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৯০ শতাংশ আসে আমন ও বোরো মৌসুম থেকে। দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল হওয়ায়, সারের সরবরাহে বিঘ্ন ধরলে শুধু খাদ্য নিরাপত্তাই নয়, কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্যের ওপরও মারাত্মক প্রভাব পড়ে।

অপরটি ‘কনটিনজেন্ট ইমার্জেন্সি রেসপন্স প্রজেক্ট’—এর আওতায় ৭১ কোটি ৩০ লাখ ডলার (প্রায় ৮ হাজার ৫৫৬ কোটি টাকা) বরাদ্দ করা হয়েছে। এই তহবিল দ্রুত ছাড় দেওয়া হবে এবং তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের নগদ সহায়তা ও জীবিকা পুনরুদ্ধার কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হবে। পাশাপাশি খাদ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ বজায় রাখতে জ্বালানির জন্যও ব্যবহার করা হবে। এই প্রকল্পের অর্থ ৩০ জুনের মধ্যে ছাড় করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ লেসলি জিন ইউ করদেরো বলেন, বিদ্যমান প্রকল্পগুলোর অব্যবহৃত অর্থ পুনর্বিন্যাস করে দ্রুত অর্থপ্রাপ্তির সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ, ব্যবসা ও কর্মসংস্থানকে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক ধাক্কা থেকে রক্ষা দেওয়া সম্ভব হবে।

সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত তহবিল কার্যক্রম বাস্তবায়ন করলে আগামি বছর ধান চালুর মৌসুমে সরবরাহশৃঙ্খল রক্ষা পাবে এবং দরিদ্র ও কৃষকদের উপর নেতিবাচক প্রভাব কমানো সম্ভব হবে—বিশ্বব্যাংক অনুসারে এই বিরাট লক্ষ্যেই করা হচ্ছে তোলা এই জরুরি সহায়তা।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo