1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৬:২৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
সংখ্যালঘু ও ক্ষুদ্রগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জুলাই আন্দোলন সংক্রান্ত হত্যাচেষ্টা মামলায় কণ্ঠশিল্পী মমতাজকে ফের গ্রেপ্তার দেখানো হলো গভর্নরের আহ্বান: সরকারি ফি-চার্জ আদায়ে বাংলা কিউআর ব্যবহার করুন বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত তিস্তা বিপৎসীমার কাছাকাছি: চার জেলায় পানিবন্দি ৬ হাজার পরিবার আগামী পাঁচ দিনে দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দিল্লি বিমানবন্দরে ডা. জাহেদকে হেনস্তা: ভারতের প্রতিক্রিয়া

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

বাংলাদেশের রাজনীতিক তারেক রহমানের তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে দিল্লি বিমানবন্দরে হেনস্তার অভিযোগে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) দিল্লিতে অনুষ্ঠিত নিয়মিত সাংবাদিক সম্মেলনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, ডা. জাহেদ ব্যক্তিগত বেসরকারি পাসপোর্ট ও সার্ক ভিসা নিয়ে দিল্লি এসেছিলেন। ইমিগ্রেশনে তাকে যাচাই-বাছাই করা হয়েছিল এবং পরে সম্মেলনে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যটি নিশ্চিত হওয়ায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। তথাপি তিনি সম্মেলনে যোগ না দিয়ে ঢাকায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, añadió মুখপাত্র।

সংবাদগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ডা. জাহেদ ১৪ জুন ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশন (আইওআরএ) এর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের একটি সভায় যোগ দিতে দিল্লি পৌঁছান। সেখানে তিনি প্রথমে ইমিগ্রেশনে বাধার মুখে পড়েন এবং দীর্ঘ সময় বিমানবন্দরে অপেক্ষা করেন। পরে বাংলাদেশ হাইকমিশনসহ বিভিন্ন দফতরের তৎপরতায় তাকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তিনি দিল্লিতে থাকার পরিবর্তে কলম্বো হয়ে ঢাকায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, যা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়।

ডা. জাহেদ বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও স্ট্র্যাটেজি, তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা হিসেবে পরিচিত; তার সিরিয়াল পদমর্যাদা প্রতিমন্ত্রীর সমুদ্রানুসারে আখ্যায়িত হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, কূটনৈতিক নোট পাঠানোর পরও ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে প্রথমে ঢুকতে বাধা দেয়। বিষয়টি নিয়ে পরে ঢাকার কর্তৃপক্ষ ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনারকে ডেকে একটি প্রতিবাদপত্র হস্তান্তর করে।

ঘটনাটি কৌতূহল ও তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে—দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ ও বিমানবন্দর নিরাপত্তা প্রটোকল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভারতের মন্ত্রণালয়ের বর্ণনা অনুযায়ী পরিস্থিতি যাচাই-বাছাই ও অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার অংশ ছিল; বাংলাদেশ পক্ষ প্রতিবাদ করায় কূটনৈতিকভাবে বিষয়টি উত্থাপিত হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo