বিএনপি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদৎবার্ষিকী পালন উপলক্ষে আগামী ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত আট দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
সোমবার (১৮ মে) নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সংবাদ সম্মেলনের আগে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে একটি যৌথসভাও অনুষ্ঠিত হয়, যার সভাপতিত্ব করেন রুহুল কবির রিজভী। সভায় যুগ্ম মহাসচিববৃন্দ, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবরা এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব—সভাপতি, আহ্বায়ক, সাধারণ সম্পাদক ও সদস্য সচিববৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির ঘোষিত কর্মসূচিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে ৩০ মে ভোর ৬টায় দলের নয়াপল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ এবং কালো পতাকা উত্তোলনের কর্মসূচি পালন করা হবে। পরে একই দিন সকাল ১১টায় বিএনপির জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও মাজার জিয়ারত করবেন। জিয়ারত শেষে জোরেযাবে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে মাজার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করা হবে—এমনটাই দলীয় ঘোষণায় বলা হয়েছে।
শাহাদৎবার্ষিকীর দিন ৩১ মে বেলা ২টায় রাজধানীর রমনাস্থ ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স–বাংলাদেশ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়াও দল জানিয়েছে, দিনটি উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণে প্রতিটি থানা এলাকার দরিদ্রদের মধ্যে কাপড়, চাল, ডালসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হবে।
দলের ঘোষণা অনুযায়ী শাহাদৎবার্ষিকী উপলক্ষে পোস্টার প্রকাশ, কালো ব্যাজ বহন এবং সংবাদপত্র ও অনলাইন পত্রিকায় ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে। অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলিও তাদের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও পোস্টার প্রকাশের কর্মসূচি করবে।
একইভাবে বিএনপির উদ্যোগে সারাদেশের জেলা, মহানগরী ও সব ইউনিটের অধীনস্থ অফিসগুলোতেও ৩০ মে ভোর ৬টায় দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলনের ব্যবস্থা করা হবে। স্থানীয় সুবিধা অনুযায়ী ওই ইউনিটগুলোতে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল এবং দুঃস্থদের মাঝে খাদ্য ও কাপড় বিতরণসহ নানা কর্মসূচি পালন করা হবে।
বিএনপি এই কর্মসূচি ঘিরে পারিবারিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক পর্যায়ে শ্রদ্ধা ও স্মরণ উদযাপনের পাশাপাশি দরিদ্রদের সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছে।