1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে মার্কিন চুক্তিই জ্বালানি আমদানের বড় বাধা: ড. দেবপ্রিয়

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে মার্কিন বাণিজ্যিক চুক্তিই জ্বালানি আমদানে হরমুজ প্রণালির চেয়েও বড় বাধা। তিনি এই মন্তব্য করেন শনিবার রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে।

ড. দেবপ্রিয় জানিয়েছেন, উত্তরণের পথ হিসেবে গ্রিন এনার্জি গ্রহণ করা উচিত এবং জ্বালানি সংকট থেকে বের হওয়ার প্রতিফলন আগামী বাজেটেই থাকা প্রয়োজন। তিনি বললেন, ‘‘আওয়ামী লীগের সময় জ্বালানীর নীতি ভুল ছিল—নতুন অনুসন্ধান করা হয়নি, বাপেক্সে বিনিয়োগ হয়নি, বরং আমদানি নির্ভরতা বাড়ানো হয়েছে।’’

তিনি আরও জানান, দেশে বিদ্যুত্ উৎপাদন ক্ষমতার অভাব নেই, সমস্যা হলো তা যথাযথভাবে ব্যবহার করা যায় না; কায়েমি স্বার্থের কারণেই আমদানি নির্ভরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হরমুজ প্রণালি বাধা হলেও সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে ওই বাণিজ্যিক চুক্তি, তিনি উল্লেখ করেন।

ড. দেবপ্রিয় আরও বলেন, ভূ-রাজনৈতিক ব্যবস্থাপনায় অনির্দিষ্টতা অর্থনীতির পাশাপাশি জ্বালানিতেও প্রভাব ফেলছে। সংস্কারের সেতুবন্ধন না হলে আইএমএফ আর ঋণ দেবে না—সরকারের ২–৩ বিলিয়ন নতুন টাকা প্রয়োজন হবে।

তিনি প্রস্তাব করেন করের হার কমিয়ে করদাতাদের সংখ্যা বাড়াতে হবে এবং আর্থিক-সামাজিক চুক্তির মাধ্যমে করের বিনিময়ে পরিষেবা নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমান সরকারের ইশতেহার অনুযায়ী এগুলো বাস্তবায়ন জরুরি।

কেবিনেট সাব কমিটির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন করে তিনি বলেন, ‘‘যে কেবিনেট সাব কমিটি পেট্রোল পাম্পের সামনে লাইনে তেমন প্রতিব্ল হবে না, তাহলে তার কাজ কী?’’ এই উদ্যোগগুলিকে জনগণের সামনে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরতে হবে, যোগ করেন তিনি।

শেষে ড. দেবপ্রিয় বলেন আগামী বাজেটে জ্বালানি খাতে প্রাধান্য দিতে হবে, কাঠামোগত পরিবর্তন আনতে হবে—বিশেষ করে বাপেক্সকে সক্রিয় করা এবং সমুদ্র থেকে জ্বালানি অনুসন্ধান শুরু করা। জ্বালানিতে দেওয়া ভর্তুকি পুনর্বিবেচনা করে সাশ্রয়ী দামে আমদানি নিশ্চিত করতে হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo