1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে

ইতিহাস বদলে গেল: লোকসভায় ভোটে হেরে গেলেন মোদি

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

ভারতের লোকসভার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নরেন্দ্র মোদি সরকারের প্রস্তাবিত সংবিধান সংশোধনী বিল ভোটে ব্যর্থ হলো। ‘সংবিধান (১৩১তম সংশোধনী) বিল, ২০২৬’ শুক্রবার লোকসভায় আলোচিত হয়ে ভোটে যায়, কিন্তু প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন না পেয়ে বিলটি বাতিল ঘোষণা করা হয়।

ভোটে ৫২৮ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। ফলাফলে পক্ষে ২৯৮ এবং বিপক্ষে ২৩০ ভোট পড়ে। দুই-তৃতীয়াংশের শর্ত অনুযায়ী উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে অন্তত ৩৫২ জনের সমর্থন দরকার ছিল; ফলে বিলটি ৫৪ ভোটের ঘাটতিতে পাস হয় না। গত ১২ বছরে মোদি সরকারের আনুমানিক কোনো সংবিধান সংশোধনী প্রস্তাব প্রথমবারই ব্যর্থ হয়েছে।

সরকার মূলত তিনটি বিষয় একসঙ্গে সামনে আনেছিল — সংসদ ও রাজ্য বিধানসভায় নারীদের জন্য আসন সংরক্ষণ, লোকসভার আসনসংখ্যা ৫৪৩ থেকে বাড়িয়ে প্রায় ৮৫০ করা এবং তদনুযায়ী নতুন করে সীমানা পুনর্নির্ধারণ (ডিলিমিটেশন)। কিন্তু মূল সংশোধনী বিলটি খারিজ হওয়ায় বাকি দুই বিল তোলা হয়নি।

বিরোধীরা ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়ার তীব্র বিরোধিতা করে দাবি করেছেন, জনসংখ্যাভিত্তিক প্রতিনিধিত্ব বাড়ালে কিছু অঞ্চলের রাজনৈতিক ভারসাম্য বিঘ্নিত হতে পারে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেছেন, নারীদের সংরক্ষণ তারা সমর্থন করলেও সেটিকে ডিলিমিটেশনের সঙ্গে জড়িয়ে আনার ধারণার বিরোধী।

ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রী মোদি সব দলকে বিলটির পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন, তবু বিরোধীদের সমর্থন না পাওয়ায় প্রস্তাবটি পাশ করানো সম্ভব হয়নি। পরে কংগ্রেস এই ফলকে ‘নারীর নামে অসাংবিধানিক কৌশল’ বলে প্রকাশ্যে সমালোচনা করে।

এই পরাজয় সরকারীর নীতি ও কৌশল সম্পর্কে নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করেছে এবং ভবিষ্যতে নারীর সংরক্ষণ ও আসনসংখ্যা-উত্তরাগতি নিয়ে কীভাবে এগোবে তা এখন উত্তেজনাপূর্ণ অগ্রাধিকার হিসেবে রয়ে গেল।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo