1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ: সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল রাজসাক্ষী হতে চান ঈদুল আজহা: ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রির সময়সূচি ঘোষণা

১৪ শোতে দিলজিৎ ৯৪৩ কোটি আয়, লাইভ ট্যুর হয়ে উঠল অর্থনীতির শক্ত কেন্দ্র

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬

কনসার্ট শুধুই গান আর আনন্দ—এমন ধারণা এখন বদলে গেছে। ১৪টি পারফরম্যান্সে ১৩টি শহর ঘুরে দিলজিৎ দোসাঞ্জের সাম্প্রতিক “ডিল-লুমিনাটি” ট্যুর মোটামুটি ৯৪৩ কোটি টাকার আয় করেছে, যা প্রমাণ করে লাইভ মিউজিক কেবল বিনোদনই নয়, বিশাল একটি অর্থনীতিক ক্ষেত্র।

ট্যুরের রাজস্বের ভাঙ্গনটা চোখে পড়ার মত: টিকিট থেকে এসেছে প্রায় ২২১ কোটি, স্পনসরশিপে যোগ হয়েছে ৩৩ কোটি, আর সরাসরি সরকারি রাজস্বের হিসেবে জমা পড়েছে ১১৪ কোটি টাকার বেশি। প্রতিটি শো যেন নিজেই একটি অর্থনৈতিক কেন্দ্র হয়ে ওঠে।

সবচেয়ে বড় বিস্ফোরক ছিল পরোক্ষ অর্থনৈতিক প্রভাব—ভক্তদের ভ্রমণ, হোটেল ভাড়া, খাবার ও কেনাকাটা মিলিয়ে তৈরি হয়েছে প্রায় ৫৫৩ কোটি টাকার বাধ্যতামূলক চেইন। জরিপে দেখা গেছে প্রায় ৩৮% দর্শক অন্য শহর থেকে এসে কয়েক দিন অতিরিক্ত থাকেছেন, ফলশ্রুতিতে স্থানীয় পর্যটন ও ব্যবসায় ব্যাপকভাবে সংশ্লিষ্ট সুবিধা পেয়েছে।

দর্শক উন্মাদনা সংখ্যায়ও প্রতিফলিত হয়েছে। ১৪টি শোতে মোট উপস্থিতি ৩ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি; শুধু দিল্লির এক শোতেই ছিল প্রায় ৫৫ হাজার দর্শক। প্রতিটি অনুষ্ঠানের টিকিট আগেভাগেই হাউসফুল হয়ে গিয়েছিল। বিশ্বব্যাপী বড় ট্যুরিং আর্টিস্টদের সাথে তুলনা করলে স্থানীয়ভাবে এখনো পথ আছে, তবুও এই সাফল্য দিলজিৎকে বৈশ্বিক ট্যুরিং মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দিয়েছে।

শুধু আয়ই নয়, কর্মসংস্থানের দিক থেকেও ট্যুরটি বড় প্রভাব ফেলেছে। আনুমানিক ১ লাখ ১৮ হাজার কর্মঘণ্টা তৈরি হয়েছে—লজিস্টিক্স, নিরাপত্তা, প্রোডাকশন ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টসহ বহু ক্ষেত্রে লোকবল প্রয়োজন পড়েছে। অর্থাৎ এখন আর কোনও কনসার্ট কেবল একটি শো নয়; এটা একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক ইকোসিস্টেম, যার সুযোগ-সুবিধা থেকে স্থানীয় অর্থনীতি পর্যন্ত সব দিকেই সুফল দেখা যাচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo