1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে

জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিএনপি এমপি মনিরুল হক চৌধুরী

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি নেতা ও সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। রবিবার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিলে তিনি গত রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ ও দলের সহযোগিতা নিয়ে সংশয় ও স্মৃতিচারণ করেছেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, স্বাধীনতার পর এক সময় মেধাবী কিছু সামাজিক-রাজনৈতিক শ্রেণি গঠিত হয়েছিল, যারা জাসদ গড়ে তুলেছিল। কিন্তু দায়িত্ব ও সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ার কারণে তাতে দেশ-জাতি ও মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, এবং সেই অনুশীলন শেষ পর্যন্ত তাদের ও ক্ষতি করেছে। তিনি সবাইকে ধৈর্য ও সহনশীলতা রাখার আহ্বান জানান।

বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে জামায়াতের ঐকমত্য প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি তখনকার দলের সঙ্গে কাজ করেছেন—দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে। তৎকালীন জোট ও হিসাবকে বিবেচনা করে বসতে হয়; বেগম খালেদা জিয়া অনেকসময় জাতি-দেশের স্বার্থ সামনে রেখে বিরোধী রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সঙ্গেও কাজ করেছেন। যে ক্রমে জামায়াত আজকের পর্যায়ে এসেছে, তার পেছনে বেগম খালেদা জিয়ার অবদানও স্মরণীয় হওয়া উচিত, এমন দাবি রাখেন তিনি।

এ সময় তিনি বলেন, অনেকেই মনে করেন বাংলাদেশে ১৫-২০ বছর বিএনপি ছিল না—এই ধারণা ভুল। কেউ যদি বিএনপিকে প্রতিপক্ষ ভাবেন, অন্যদের মনে আছে কখনো জাসদ আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ ছিল। ইতিহাস ও সময়ের প্রেক্ষিতে এসব বিষয় বিচার-বিশ্লেষণ করার বুদ্ধি-বিদ্যা সব পক্ষেই থাকা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মনিরুল বলেন, তিনি সংসদে দাঁড়িয়ে কখনো কোনও ভাষায় কথা বললে কী হবে—এ ধরনের ভয় পান। আগে যখন বিরোধী দলে ছিলেন, তিনি তাদের চিনতেন; কিন্তু এখন যারা বিরোধী দল, তাদের তিনি ঠিক মতো চেনেন না। তিনি টারেক রহমানের কথাও স্মরণ করে বলেন, ‘‘কঠিন নির্বাচন’’—সেবার অনেকেই সেটা বুঝতে পারেননি, কিন্তু পরে নির্বাচনে গিয়ে তাদের কষ্ট বুঝতে হয়েছে।

এছাড়া তিনি বলেন, এত সংখ্যক সদস্য নিয়ে সংসদে আসার পর যাদের কৃতজ্ঞতা জানানো উচিত, তাদের মধ্যে একজন ছিল জামায়াতে ইসলামী, কিন্তু এখন আমাদের সম্পর্কে নানা প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে—এ বিষয়ে সমান বিবেচনা ও ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন তিনি।

ফ্যাসিস্ট আমলের বিচারের নামে কোনো অন্যায় করা হয়ে থাকলে সেটি খণ্ডনীয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি, এবং বলেন তিনি মহান সংসদে এই বিষয়টি উত্থাপন করছেন। তিনি শেষ পর্যন্ত জামায়াতকে এক কথায় নির্দেশ দেন এবং এনসিপি প্রসঙ্গে বলেন, স্বাধীনতার পর বা এনসিপির নেতারা বয়সে কম হলেও তিনি তাদের শ্রদ্ধা করেন—কারণ তারা সাহসী, এবং এ যুগের চাহিদা পূরণে এগিয়ে এসেছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo