1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০২:৫৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড

বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজে সমতা পাকিস্তানের

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬

পাকিস্তানকে সিরিজের প্রথম ম্যাচে হারানোর পরে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বৃষ্টি বাধার মধ্যেই বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজে সমতা করেছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের শক্তিশালী শুরু ও বাংলাদেশ ব্যাটিং স্তব্ধ হওয়ার ফলে বৃষ্টির পরে নির্ধারিত লক্ষ্যও বাংলাদেশকে ছুঁতে পারেনি — তারা ৩২ ওভারে নেওয়া ২৪৩ রানের লক্ষ্যের বিপরীতে মাত্র ১১৪ রানে অলআউট হয়ে বসে, ফলে হারেছে ১২৮ রানে।

পাকিস্তানের ইনিংসটি শক্তিশালীভাবে শুরু হয়। ওপেনিং জুটিতে তারা ১০৩ রানের সঙ্গে প্লে-অফ ঘরোয়া চাপ সৃষ্টি করে। মাঝের ওভারে হাতে বর্তমান ব্যাটসম্যান মাজ সাদাকাত ঝড় তোলেন; তিনি দুর্দান্ত ব্যাট করে ৪৬ বলে ৭৫ রান করেন এবং ইনিংসের সর্বোচ্চ সংগ্রাহক হন। তাতে পাওয়ার প্লেতে থেকেই সেঞ্চুরি সম্ভাবনার সুর গড়ে ওঠে, কিন্তু মেহেদী হাসান মিরাজ তাকে ফিরিয়ে দিয়ে বাংলাদেশকে ব্রেকথ্রু এনে দেন।

এরপর দ্রুত আরও দুই উইকেট হারানোর পর অভিজ্ঞ সালমান আলী আঘা ও মোহাম্মদ রিজওয়ান চতুর্থ উইকেটে ১০৯ রানের বড় জুটি গড়ে দলকে নিয়ন্ত্রণে রাখেন। সেই জুটি সালমানের অদ্ভুত রানের আউটের পর ভেঙে যায়; তিনি ৬২ বলে ৬৪ রান করে স্টাম্পে গিয়ে আউট হন। রিজওয়ান ৪৪ রান করে ফেরেন। মিরাজের স্পেল, রিশাদ হোসেনের দক্ষ বোলিং এবং তাসকিন-মুস্তাফিজদের সমর্থনে পাকিস্তানের ইনিংস ২৭৪ রানে শেষ হয়। বাংলাদেশের পক্ষে রিশাদ সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন, মিরাজ দুটি উইকেট নেন এবং তাসকিন, মুস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ একটি করে উইকেট নেন।

চেজে নামার পর বাংলাদেশের শুরু ভাঙন ধরায়। ওপেনিং পৌঁছতেই তারা তিন উইকেট হারায় এবং ১৩ রানে তানজিদ হাসান তামিমকে হারায়; তিনি মাত্র ১ করে ফেরেন। সাইফ হাসান ও নাজমুল হোসেন শান্তও শূন্য ও কম ঝুঁকিতে আউট হয়ে দলকে বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দেন। ৬.৩ ওভারে স্কোর তখন ২৭/৩; সেই পর্যায়ে বৃষ্টি নামলেও খেলা প্রায় এক ঘণ্টা তিনেক বন্ধ থাকে। পুনরায় খেলা শুরু হলে ওভার কমে যাওয়ায় লক্ষ্যও ঘাটতি করে ৩২ ওভারে ২৪৩ রানে নির্ধারিত হয়।

কম করা লক্ষ্যেও বাংলাদেশি ব্যাটাররা জুটির হিসাবে বড় কিছু করতে পারেনি। লিটন দাস ও তাওহিদ হৃদয়ের ৫৮ রানের জুটি সাময়িক আশার সঞ্চার করলেও লিটনের আউট হয়ে ফিরে যাওয়ায় সেটি ভেঙে পড়ে; লিটন ৩৩ বলের মোকাবেলায় ৪১ করে ফেরেন। এরপর আফিফ হোসেনও বড় করতে না পেরে ১৫ বল খেলে ১৪ রানে আউট হন। মিরাজ মাত্র কয়েক বল খেলতে পেরে ফেরেন এবং দলের পতন থামাতে পারলেন না — ১০১ রানে বাংলাদেশের দাঁড়ানোই শেষ শুরুটা; দ্রুত ৭ উইকেট হারানোর পর হৃদয়ও ৩৮ বল করে ২৮ রানে এলবিডব্লিউ হন। অবশেষে বাংলাদেশের ইনিংস অলআউট হয় লজ্জাজনক ১১৪ রানে।

পাকিস্তানের জয়ের পথে ওপেনার মাজ সাদাকাতের ঝড়ো ব্যাটিং এবং সালমান-রিজওয়ানের বড় জুটি মূল ভূমিকা রেখেছে। বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে রিশাদ তিনটি উইকেট নিলেও টপ-অর্ডার ও মধ্যম қатарের ব্যর্থতা এবং বৃষ্টির ফলে রিডিউসড টার্গেটের চাপ বাংলাদেশের পক্ষে জয়ের পথে বড় বাধা হয়। সিরিজ এখন ১-১ সমতায় পৌঁছে গেছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo