1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০১:২৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গভর্নরের আহ্বান: সরকারি ফি-চার্জ আদায়ে বাংলা কিউআর ব্যবহার করুন বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত তিস্তা বিপৎসীমার কাছাকাছি: চার জেলায় পানিবন্দি ৬ হাজার পরিবার আগামী পাঁচ দিনে দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের আসল কাহিনী উদ্ঘাটন জরুরি: গোলাম পরওয়ার

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করতে হলে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের আসল সত্য উদ্ঘাটন অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেন জামায়াতে ইসলামীর মহাসচিব মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিডিআর বিদ্রোহের পেছনে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ছিল এবং এই ঘটনা নিয়ে স্পষ্ট গবেষণা ও তদন্তের প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, যারা এই হত্যাকাণ্ডের নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাদের মূল মঞ্চে আনার জন্য অপরাধীদের চিহ্নিত করে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে, যাতে ঘটে যাওয়া এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সত্য সত্যাই প্রকাশ পায়।

গোলাম পরওয়ার বলেন, যদি এই ঘটনা অপ্রকাশিত থেকে যায়, তবে আবারও কেউ না কেউ দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের পাঁয়তারা করতে পারে, যা আমাদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতিসত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি। সেই জন্যই এই জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সত্যের আলো ফুটানো খুব জরूरी, যাতে দোষীদের শাস্তি হয় এবং নিরপেক্ষ বিচার হয়। তিনি বলেন, শহীদ পরিবারের অশ্রুসumbing ও আহাজারি এই দেশের জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে, এবং এর থেকে মুক্তি পেতে অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সুবিচার নিশ্চিত করতে হবে।

গোলাম পরওয়ার আরও চাপে দেন, এই ঘটনার বিচারের জন্য এখন আর অপেক্ষা করা উচিত নয়। দেরি না করে, সংশ্লিষ্ট দুষ্কৃতকারীদের দ্রুত বিচার ও পরিবারগুলোর ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও বিচারের নামে জালিয়াতি ও দুর্নীতি যেন বন্ধ হয়, আর নিরপরাধ যারা হয়রানি হয়েছে তাদের যথাযোগ্য ক্ষতিপূরণ ও মুক্তি পাওয়া উচিত।

সভায় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী মহাসচিব রফিকুল ইসলাম খান বলেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানের নীরবতা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতা প্রমাণ করে। তিনি মন্তব্য করেন, এই হত্যাকাণ্ডের দ্বারা বাংলাদেশের সেনাবাহিনী দুর্বল করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল এবং দেশের সাধারণ মানুষ ও দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। এই পরিকল্পনায় কিছুটা সফলও হয়েছেন তারা।

সভায় আরও বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহ-সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদ, নায়েবে আমির হেলাল উদ্দিন, সহকারী সেক্রেটারি ড. আব্দুল মান্নান ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা দক্ষিণের সভাপতি আব্দুস সালাম।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo