1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে

যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে ৩০০-এর বেশি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপক আকারে সামরিক শক্তি প্রদর্শনের জন্য ৩০০ এর বেশি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে। এই বিশাল সামরিকগুলি ইরানের সম্ভাব্য হামলার মোকাবিলা বা শক্তি প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুতি হিসেবে কাজ করছে। ওপেন সোর্স গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তুর্কি সংবাদ সংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, মূলত কাতারের আল-উদেইদ আকাশঘাঁটি, জর্ডানের মুওয়াফাক সালতি ঘাঁটি এবং সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি, পাশাপাশি সমুদ্রে মার্কিন বিভিন্ন রণতরী—ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ও ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড—থেকে এই বিশাল বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জানুয়ারীর শুরু থেকে মার্কিন কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড (সেন্টকম) প্রায় ২৭০টি সি-১৭ ও সি-৫ লজিস্টিক বিমান পরিচালনা করেছে এই বহর একত্রিত করতে। এই ফ্লাইটগুলোতে প্যাট্রিয়ট ও থার্ড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের পাশাপাশি যুদ্ধ সামগ্রী পরিবহন করা হয়েছে।

এই বিমান বাহরে প্রায় ৭০ শতাংশ আক্রমণাত্মক যুদ্ধবিমান ও ৩০ শতাংশ সহায়ক বিমান রয়েছে। এর মধ্যে ৮৪টি এফ-১৮, ৩৬টি এফ-১৫, ৪৮টি এফ-১৬ ও ৪২টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান থাকছে। পাশাপাশি ট্যাঙ্কার ও বিশেষ ভূমিকা পালনের জন্য বিভিন্ন ধরনের বিমান সামিল। যেমন—ইএ-১৮জি ‘গ্রোলার’, ই-১০সি ‘থান্ডারবোল্ট’, ই-১১এ ব্যাটলফিল্ড এয়ারবর্ন কমিউনিকেশনস নোড এবং ই৩ ‘সেন্ট্রি’ ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম বিমান।

উল্লেখ্য, গত জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার জন্য ব্যবহৃত বি-২ বোমারু বিমান কোনো গতিবিধি লক্ষ্য করা যায়নি।

অপরদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এই বিপুল সামরিক উপস্থিতির খতিয়ান থাকলেও ইতিমধ্যে ইসরায়েলও ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন। তাদের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলের ৬৬টি এফ-১৫, ১৭৩টি এফ-১৬ ও ৪৮টি নতুন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান আগাম প্রস্তুত রয়েছে ইরানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য। এ ছাড়া তারা ১২টি মার্কিন স্টিলথ ফাইটার এফ-২২ও অর্জন করেছে, যা বিশ্বের শীর্ষ উন্নত যুদ্ধবিমান হিসেবে পরিচিত। এগুলো ইরানের রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের জন্য ব্যবহার হতে পারে।

এছাড়াও, এই পরিস্থিতিতে ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, তারা আগামী দিনগুলোতেও মূলত কার্যকরভাবে ইরানের বিরুদ্ধে সহায়তা চালিয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, আগামী বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) জেনেভায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে তৃতীয় দফার পারমাণবিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। তবে এর আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, তিনি কূটনীতির মাধ্যমে সমাধান চান, তবে প্রয়োজন হলে প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহারেও পিছপা হবেন না। স্টেট অব ইউনিয়নের ভাষণে তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমি অতীতের মতোই আবারও বলছি, আমি কখনোই ইরানের পারমাণবিক অস্ত্রের মালিকানা অনুমোদন দেব না।’ তিনি এই আশঙ্কাও প্রকাশ করেন যে, ইরান সম্ভবত তাদের মিসাইল সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রে হামলা চালানোর সক্ষমতা অর্জন করছে।

ইরান অবশ্য এই দাবির সঙ্গে দ্বিমত ব্যক্ত করে বলছে, তারা তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে সৌজন্যের সম্মানে আলোচনা থেকে আবসান করতে চাইছে না। এখন সবাই আগামী বৃহস্পতিবারের বৈঠককেই সর্বাধিক লক্ষ্য করে রেখেছে, যেখানে সম্ভাব্য কূটনৈতিক সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo