1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৫:০২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
আগামী পাঁচ দিনে দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা

নেপালে দুর্ঘটনায় নিহত ১৮ বাস নিহতবাস ট্র্যাজেডি

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

নেপালে একটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ধাডিং জেলায়, যেখানে পোখারা থেকে কাঠমান্ডুগামী এক যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ত্রিশুলি নদীতে পড়ে যায়। এই হ্রদাণীত ঘটনা ঘটার সময়, বাসের বেশ কয়েকজন যাত্রী গুরুতর আহত হন। নিহতদের মধ্যে নিউজিল্যান্ডের দুই পর্যটকও রয়েছেন।

সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট জানায়, সোমবার সকালে (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরের দিকে এই অপূরণীয় ঘটনা ঘটে। আহতের সংখ্যা ২৬ জন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা।

পোখারা থেকে কাঠমান্ডুর উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া বাসটি রাত আনুমানিক ১টার দিকে ধাডিং জেলায় বেনিঘাট রোরাং পৌরসভার ভৈসেপাটি এলাকার কাছে পৃথ্বী মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যায়। দ্রুততায় চালক বাসটি চিনাধারা এলাকার কাছ দিয়ে প্রায় ৩০০ মিটার নিচে ত্রিশুলি নদীর তীরে পড়ে যায়, যার ফলে বাসটির ব্যাপক ক্ষতি ও প্রায় সবাই আহত হয়।

ধাডিং জেলা ট্রাফিক পুলিশের প্রধান শিশির থাপা জানান, আপাতত মৃত্যুর সংখ্যা ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে ১২ জন পুরুষ ও ছয়জন নারী। হাইওয়ে রেসকিউ ও নাগরিকরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে উদ্ধার কাজে অংশ নেন।

বাসটিতে মোট ৪৪ জন যাত্রী ছিলেন, তাদের মধ্যে দুইজন ছিলেন নিউজিল্যান্ডের পর্যটক—একজন নারী ও একজন পুরুষ। এই দুর্ঘটনাতেও তারা মারা গেছেন।

দুর্ঘটনার পর নেপাল সেনাবাহিনী, আর্মড পুলিশ ফোর্স এবং পুলিশ একত্রে উদ্ধার কাজ চালায়। পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়ে দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, গভীর অন্ধকার ও স্বল্প ত্রাণ সামগ্রীর কারণে।

দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলা প্রশাসক সুবেদি জানান, রাতের অন্ধকারে টর্চলাইটের সাহায্যে আহতদের উদ্ধার করা হয়। তবে, ত্রাণের অভাব ও নানা চ্যালেঞ্জের কারণে উদ্ধার অভিযান বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। কর্তৃপক্ষ জানান, রাতের এই দুর্ঘটনায় উদ্ধারকাজে ব্যাপক দেরি হয় ও পরিস্থিতি জটিলতায় পড়ে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo