1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে

নেপালে দুর্ঘটনায় নিহত ১৮ বাস নিহতবাস ট্র্যাজেডি

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

নেপালে একটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ধাডিং জেলায়, যেখানে পোখারা থেকে কাঠমান্ডুগামী এক যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ত্রিশুলি নদীতে পড়ে যায়। এই হ্রদাণীত ঘটনা ঘটার সময়, বাসের বেশ কয়েকজন যাত্রী গুরুতর আহত হন। নিহতদের মধ্যে নিউজিল্যান্ডের দুই পর্যটকও রয়েছেন।

সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট জানায়, সোমবার সকালে (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরের দিকে এই অপূরণীয় ঘটনা ঘটে। আহতের সংখ্যা ২৬ জন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা।

পোখারা থেকে কাঠমান্ডুর উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া বাসটি রাত আনুমানিক ১টার দিকে ধাডিং জেলায় বেনিঘাট রোরাং পৌরসভার ভৈসেপাটি এলাকার কাছে পৃথ্বী মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যায়। দ্রুততায় চালক বাসটি চিনাধারা এলাকার কাছ দিয়ে প্রায় ৩০০ মিটার নিচে ত্রিশুলি নদীর তীরে পড়ে যায়, যার ফলে বাসটির ব্যাপক ক্ষতি ও প্রায় সবাই আহত হয়।

ধাডিং জেলা ট্রাফিক পুলিশের প্রধান শিশির থাপা জানান, আপাতত মৃত্যুর সংখ্যা ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে ১২ জন পুরুষ ও ছয়জন নারী। হাইওয়ে রেসকিউ ও নাগরিকরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে উদ্ধার কাজে অংশ নেন।

বাসটিতে মোট ৪৪ জন যাত্রী ছিলেন, তাদের মধ্যে দুইজন ছিলেন নিউজিল্যান্ডের পর্যটক—একজন নারী ও একজন পুরুষ। এই দুর্ঘটনাতেও তারা মারা গেছেন।

দুর্ঘটনার পর নেপাল সেনাবাহিনী, আর্মড পুলিশ ফোর্স এবং পুলিশ একত্রে উদ্ধার কাজ চালায়। পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়ে দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, গভীর অন্ধকার ও স্বল্প ত্রাণ সামগ্রীর কারণে।

দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলা প্রশাসক সুবেদি জানান, রাতের অন্ধকারে টর্চলাইটের সাহায্যে আহতদের উদ্ধার করা হয়। তবে, ত্রাণের অভাব ও নানা চ্যালেঞ্জের কারণে উদ্ধার অভিযান বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। কর্তৃপক্ষ জানান, রাতের এই দুর্ঘটনায় উদ্ধারকাজে ব্যাপক দেরি হয় ও পরিস্থিতি জটিলতায় পড়ে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo