1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

বিএনপি এতই খারাপ হলে তাদের দুই মন্ত্রী কেন পদত্যাগ করেননি: তারেক রহমান

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬

বিএনপি সভাপতি তারেক রহমান বলেছেন, যারা এখন বিএনপির বিরুদ্ধে কথা বলছে—তারা এমন একটি দলের প্রতিনিধি, যারা পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচ্যের কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে বিএনপিকে আক্রমণ করছেন। তারা বলছে বিএনপি দুর্নীতির চ্যাম্পিয়ন ছিল; আমার প্রশ্ন, ২০০১-২০০৬ সালে যখন বিএনপি সরকারে ছিল, তখন ওই দলেরও দুজন মন্ত্রী ছিল—যদি বিএনপি সত্যিই এতই খারাপ হতো, তাঁরা তখন কেন পদত্যাগ করে বেরিয়ে আসেননি, বলেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে ময়মনসিংহ জেলা সার্কিট হাউস মাঠে আয়োজিত বিশাল এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। বেলা ৪টা ০৩ মিনিটে স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানের সঙ্গে মঞ্চে ওঠেন তারেক রহমান। বক্তব্যের শুরুতে তিনি ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি সংসদীয় আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের মঞ্চে এনে জনগণের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।

তারেক রহমান ৪টা ২৬ মিনিটে জনতাকে সালাম জানিয়ে বক্তব্য শুরু করেন এবং ৪টা ৫২ মিনিটে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চেয়ে বক্তব্য শেষ করেন। সমাপ্তির পর তার গাড়িবহর গাজীপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

তিনি বলেন, ওই দুই মন্ত্রী পদত্যাগ করেনি কারণ তারা জানতেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতি দমন বিষয়ে কঠোর ছিলেন এবং দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিতেন না। তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পরিসংখ্যান দেখায় পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারী শাসনের সময় দেশ দুর্নীতিতে ডুবেছিল, কিন্তু ২০০১ সালে বেগম খালেদা জিয়া দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে দুর্নীতির অবাধ বিস্তার রোধে কাজ শুরু হয়।

তারেক রহমান অভিযোগ করেন, আজ যারা বিএনপিকে দোষারোপ করছে, তাদেরই সেই দুই মন্ত্রীর উপস্থিতি প্রমাণ করে তারা মিথ্যা বলছে।

নেতাকর্মীদের কাছে তিনি ভোটসংক্রান্ত গুরুতর নির্দেশনা দেন—ভোটের দিন তাহাজ্জুদের নামাজ পড়বেন, সবাই মিলে কেন্দ্রে গিয়ে ফজরের নামাজ আদায় করবেন এবং তারপর লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেবেন। শুধু ভোট দিয়ে চলে আসলেই হবে না; ভোটের ফলাফল কড়া-গণ্ডায় বুঝে নিতে হবে যাতে কেউ আমাদের ভোট লুট করতে না পারে।

আগামী ১২ তারিখ ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভোটের পর খাল খনন কর্মসূচিতে আবার জনগণের সঙ্গে দেখা হবে; সবাইকে কোদাল নিয়ে উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানান এবং নিজেও সেখানে থাকবেন।

সভায় স্থানীয় নেতাকর্মীরা স্লোগানে তাকে স্বাগত জানান; ‘তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’ ও ‘আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান’ স্লোগান করেন। ময়মনসিংহের পক্ষ থেকে তাকে লাল গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানান হয়। স্থানীয় নেতারা মঞ্চে তাকে উপস্থিত দেখে টারাকান্দাকে পৌরসভায় রূপান্তরের দাবি জানান।

তারেক রহমান মঞ্চে ওঠার আগে ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসনের ধানের শীষ প্রার্থীরা বক্তব্য দেন। তাদের মধ্যে ছিলেন ইকবাল হোসেন, সুলতানা আহমেদ বাবু, মোতায়ের হোসেন বাবু, মাহমুদুল হক, ফরিদুল কবির তালুকদার, সিরাজুল হক, মাহবুব রহমান লিটন, মোস্তাফিজур রহমান বাবলু ও লৎফুরজ্জামান বাবর।

প্রার্থীরারা নিজেদের মধ্যকার দ্বন্দ্ব ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে দলের নেতাকর্মীদের আহ্বান জানান এবং স্লোগান দেন—‘নৌকা গেছে ভারতে, ধানের শীষ গদিতে’। লৎফুরজ্জামান বাবর বলেন, আমরা ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসন তারেক রহমানকে উপহার দিতে চাই এবং ভবিষ্যতে তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo