1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৪:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি — বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীসহ মুসলমানদের ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান দেশের মানুষ ও বিশ্ব মুসলিমদের পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা ঈদুল ফিতরে পদ্মা-যমুনা সেতুতে রেকর্ড যানবাহন পারাপার ও টোল আদায় ঈদযাত্রায় ৩ দিনে পদ্মা সেতুতে ১৩ কোটি ২১ লাখ ৫১ হাজার ৮০০ টাকার টোল আদায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ পড়বেন নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা: জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে নামাজ পড়বেন

ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬

ঢালিউডের স্বর্ণযুগের পরিচিত নায়ক ও কালজয়ী নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যান্সারের সঙ্গে সংগ্রামের পর ৮২ বছর বয়সে আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় তিনি না ফেরার দেশে চলে গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মৃত্যু সংবাদটি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান।

১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস—পরবর্তীতে চলচ্চিত্রে তিনি ইলিয়াস জাভেদ নামে পরিচিত হন। পরিবারসহ প্রথম পাঞ্জাবে বসবাস করলেও পরবর্তী সময়ে তিনি ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে আত্মপ্রকাশ করেন।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন ইলিয়াস জাভেদ। পাশাপাশি নানা ধরনের শারীরিক জটিলতাও ছিল। গত বছরের এপ্রিল মাসে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি বাড়িতেই চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করছিলেন; চিকিৎসক ও দুই নার্স বাড়িতে এসে নিয়মিত তত্ত্বাবধানে ছিলেন। জাভেদের স্ত্রী ডলি চৌধুরী সংবাদমाध্যকে বলেছেন, “আজ সকালে তার শারীরিক অবস্থা হঠাৎ করেই খারাপ হয়। দুই নার্স এসে জানিয়েছিলেন তার শরীর ঠান্ডা হয়ে গেছে। পরে অ্যাম্বুলেন্সে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।”

অভিনয় জীবনের শুরুটা তিনি করেন নৃত্য পরিচালনা থেকে। নায়ক হিসেবে রুপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে ১৯৬৪ সালের উর্দু সিনেমা ‘নয়ী জিন্দেগি’ দিয়ে। তবে প্রকৃত সাফল্য আসে ১৯৬৬ সালের ‘পায়েল’ ছবির মাধ্যমে, যেখানে তিনি কিংবদন্তি নায়িকা শাবানার বিপরীতে ছিলেন। পরিচালক মুস্তাফিজই তাকে ‘জাভেদ’ নামটি দেন।

এরপর একের পর এক ব্যবসাসফল ছবি দিয়ে দর্শকদের মনে স্থায়ী জায়গা করে নেন—বিশেষ করে তাঁর ঝাঁঝালো নাচ ও একগুচ্ছ অ্যাকশন দৃশ্যে তিনি ‘ড্যান্সিং হিরো’ হিসেবে জনপ্রিয়তা পান। ব্যক্তিজীবনে ১৯৮৪ সালে তিনি বিখ্যাত নায়িকা ডলি চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। জীবনে তিনি শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

সত্তুর ও আশির দশকের দর্শকদের কাছে ইলিয়াস জাভেদ মানে পর্দা কাঁপানো নাচ আর তীব্র এক অ্যাকশনের মিলিত ছাপ। তার প্রয়াণ বাংলা চলচ্চিত্রের এক অধ্যায়ের সমাপ্তি।

জাভেদ অভিনীত নজরকাড়া কিছু চলচ্চিত্র: মালেকা বানু, নিশান, পাপী শত্রু, রক্ত শপথ, সাহেব বিবি গোলাম, কাজল রেখা, অনেক দিন আগে, আজও ভুলিনি, কঠোর, মা বাবা সন্তান, রাখাল রাজা, রসের বাইদানী, জীবন সঙ্গী, আবদুল্লাহ।

ইলিয়াস জাভেদের মৃত্যুতে চলচ্চিত্র অঙ্গন শোকাহত; পরিবার, পরিজন ও ভক্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo