1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৭:২৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি — বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীসহ মুসলমানদের ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান দেশের মানুষ ও বিশ্ব মুসলিমদের পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা ঈদুল ফিতরে পদ্মা-যমুনা সেতুতে রেকর্ড যানবাহন পারাপার ও টোল আদায় ঈদযাত্রায় ৩ দিনে পদ্মা সেতুতে ১৩ কোটি ২১ লাখ ৫১ হাজার ৮০০ টাকার টোল আদায় নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ পড়বেন প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা: জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে নামাজ পড়বেন

ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৬

ঢালিউডের সোনালি দিনের পরিচিত নায়ক ও কালজয়ী নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করার পর আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি ছিলেন ৮২ বছর বয়সী।

মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান। ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন ইলিয়াস জাভেদ। পরে পরিবারসহ পাঞ্জাবে চলে গেলেও পরবর্তীতে তিনি ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে এসে স্থায়ী হয়ে যান।

জানা গেছে, অনেক বছর ধরে ক্যানসারসহ নানা রকম শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। গত বছরের এপ্রিলেও হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। কয়েক মাস ধরে হাসপাতালের সহায়তায় এবং পরে বাসায় রেখে চিকিৎসাসেবা চলছিল।

সংবাদমাধ্যমকে স্ত্রী ডলি চৌধুরী বলেন, আজ সকালের দিকে তাঁর শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটে। বাড়িতে থাকা অবস্থায় চিকিৎসক ও দুই নার্স এসে দিনের পর দিন দেখাশোনা করছিলেন। আজ সকালে নার্স দু’জন এসে জানান, তাঁর শরীর পুরোপুরি ঠান্ডা। এরপর অ্যাম্বুলেন্স ডেকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ইলিয়াস জাভেদের অভিনয়জীবন শুরু হয় ১৯৬৪ সালে উর্দু সিনেমা ‘নয়ী জিন্দেগি’র মাধ্যমে নায়কের ভূমিকায়। তবে বড় পর্দায় খ্যাতি পান ১৯৬৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পায়েল’ ছবির মাধ্যমে; সেখানে তাঁর বিপরীতে ছিলেন কিংবদন্তি নায়িকা শাবানা। পরিচালক মুস্তাফিজই পরবর্তীতে তাকে ‘জাভেদ’ নামে পরিচিত করেন।

নৃত্য পরিচালনা দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক হলেও পরে নায়ক হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান তিনি। একের পর এক ব্যবসাসফল ছবিতে নাচ ও অ্যাকশনের অনবতিত মিশ্রণে দর্শকদের হৃদয়ে ‘ড্যান্সিং হিরো’ হিসেবেই স্থায়ী জায়গা করে নেন। ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৮৪ সালে তিনি জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। মোটে শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।

জাভেদের কিছু স্মরণীয় চলচ্চিত্রের মধ্যে আছে: ‘মালেকা বানু’, ‘নিশান’, ‘পাপী শত্রু’, ‘রক্ত শপথ’, ‘সাহেব বিবি গোলাম’, ‘কাজল রেখা’, ‘অনেক দিন আগে’, ‘আজও ভুলিনি’, ‘কঠোর’, ‘মা বাবা সন্তান’, ‘রাখাল রাজা’, ‘রসের বাইদানী’, ‘জীবন সঙ্গী’ ও ‘আব্দুল্লাহ’।

ইলিয়াস জাভেদের প্রয়াণকে বহু দর্শক ও কলাবিলাসী বাংলা চলচ্চিত্রের একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি বলে মনে করছেন। দীর্ঘদিন নীরবে চিকিৎসা নিয়ে ছিলেন এই গুণী শিল্পী; তাঁর চলে যাওয়া চলচ্চিত্র ও শিল্পাঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। প্রতি শ্রদ্ধা ও শোক জানাই।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo