1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:১৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

রুমিন ফারহানা থেকে হুমকি: বললেন, ‘আমি না বললে আপনি এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার’

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর একটি ইউনিয়নসহ) ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে নির্বাচন পরিচালনা করতে গেলে, সেখানে অভিযান চালাতে গিয়ে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান হেনস্তা ও হুমকির শিকার হন।

ঘটনাটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় এবং এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। ভিডিওতে দেখা যায়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আচরণবিধি ভঙ্গের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছিলেন, তখন রুমিন ফারহানা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। তিনি তাকে বলেন, আমি শেষ বারের মত আপনাকে সতর্ক করে দিচ্ছি, আমাকে আর এ ধরনের কথা শুনতে চাই না। যদি পারো, থামিয়ে দাও। আজ আমি ভদ্রতার সঙ্গে কথা বলছি, পরবর্তীতে এরকম করবেন না। এছাড়াও তিনি যোগ করেন, অন্যরা আপনাদের বেআইনিভাবে কাজ করতে দেয়, খোঁজ নিয়ে দেখো।

রুমিন ফারহানা আরও জোর দিয়ে বলেন, আমি রুমিন ফারহানা। আমি কোনো দলের পক্ষ নি। বললেন, যদি আমি না বলি, আপনি এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার, মাথায় রাখবেন। বললেন, যারা এখন আপনাদের সাথে কাজ করছে, তারা শেখ হাসিনার সময়ে কানে ধরে খাটের নিচে থাকত।

উল্লেখ্য, এই বিধি লঙ্ঘনের অভিযানে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান বলেন, তারা নির্বাচন আচরণবিধি ১৮ এর সরাসরি লঙ্ঘন করে সমাবেশের আয়োজন করে। বিষয়টি নিয়মের বাইরে থাকায় আমরা সেখানে গিয়ে নিষেধাজ্ঞা দিই। তাদের চলে যাওয়ার সময়, অনুষ্ঠানের আয়োজক মো. জুয়েলকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। প্রত্যাখ্যাত হয়ে সমাবেশের আয়োজন করতে না পেরে, ওই প্রার্থী আমার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। আমি এই বিষয়টি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবগত করেছি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo