1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৮:০৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে

অবিশ্বাস্য পক্ষপাতদুষ্ট ডিসি-এসপির অভিযোগ জামায়াতের বিরুদ্ধে

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৬

জামায়াত ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের অভিযোগ করেছেন যে, অনেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপার (এসপি) নির্বাচনী পরিস্থিতিতে পক্ষপাতদুষ্ট ভূমিকা পালন করছেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, তারা একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষে কাজ করছেন। নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে এসব ডিসি-এসপিকে সরিয়ে দেয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সৈয়দ তাহের এ সব কথা বলেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে বিভিন্ন মামলার সিদ্ধান্তে দেশজুড়েও দ্বৈতভাব দেখা গেছে। আর তাই তারা বলছেন যে, কিছু ডিসি ও এসপি পক্ষপাতদুষ্টভাবে একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষে কাজ করছে। এসব কর্মকর্তাদের বদলি করে দেয়ার জন্য তিনি ইসিকে নির্দেশ দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন চলাকালীন একজন কর্মকর্তাকে অনেক বেশি প্রোটেকশন দেওয়া হয়, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। এ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, কারণ ক্ষমতায় থাকা দলীয় কার্ড, দেড় কাপড়ের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে, যা আচরণবিধির লঙ্ঘন।

সৈয়দ তাহের বলেন, দলীয় ডিসি নিয়োগ দেওয়ার কারণে সরকারি সিদ্ধান্তগুলোও দলীয় স্বার্থে পরিচালিত হচ্ছে। দেশের মধ্যে লেভেল প্লেইং ফিল্ডের অভাব দেখা দিচ্ছে। কিছু ব্যক্তিকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, আবার কারও ক্ষেত্রে তা হচ্ছে না। এতে নির্বাচন অবাধ ও স্বচ্ছ থাকার বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সিসিটিভি ব্যবহার নিয়ে ইসি ইতিমধ্যে আলোচনা করছে। এর মাধ্যমে নির্বাচন নজরদারি আরও জোরদার করা হবে। অন্যথায়, যদি নির্বাচন জুয়া খেলা হয়, তাহলে দেশের স্বনাম বহু ক্ষুণ্ন হবে। ক্ষমতাসীন দলের আচরণে ব্যতিক্রম দেখা দিলে দেশের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে যাবে বলে মনে করেন তিনি।

সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, তারা কমিশনকে বলেছে, মাঠে প্রমাণ দিয়ে দেখাতে হবে। বিশেষ কোন তালিকা তারা দেননি, বরং পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করবেন।

ভারতের সঙ্গে জামায়াতের নেতার বৈঠক সম্পর্কে তিনি বলেন, নির্বাচনে বিদেশি প্রভাব থাকার চেষ্টা হচ্ছে। তবে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে জামায়াতের আমিরের সরাসরি বৈঠক হয়নি। যখন তিনি অসুস্থ ছিলেন, তখন তারা দেখা করতে চেয়েছিল, যা গোপন রাখা হয়।

দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে তিনি বলেন, কোথাও কোথাও তা গ্রহণ করা হয়েছে, আবার কোথাও বাতিলও। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুল আউয়ালের মনোনয়ন গ্রহণ করা হয়েছে, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদও দ্বৈত নাগরিকত্বের স্বীকৃতি পেয়েছেন। তবে, তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এটি দেশের নির্বাচনী পরিস্থিতির সত্যতা ও অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo