1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে

হংকংয়ের বহুতল ভবনে ভয়াবহ আগুনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৪, নিখোঁজ ২৭৯

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৫

হংকংয়ের উত্তর টাই পো জেলা অবস্থিত ওয়াং ফুক কোর্ট নামে আটটি বহুতল আবাসিক ভবনের কমপ্লেক্সে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে এখন পর্যন্ত ৪৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এখনও ২৭৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন, তার মধ্যে অনেকে আগুনে দগ্ধ ও ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন আল জাজিরা।

বুধবার সকালে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওই ভবনগুলোতে আগুন লাগার পর বিশাল ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে, শিখা আকাশ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় দমকল বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতা হিসেবে ‘লেভেল-ফাইভ অ্যালার্ম’ জারি করে।

হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী জন লি বৃহস্পতিবার সকালে আগুনের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা হালনাগাদ করে ৪৪ বলে নিশ্চিত করেন। এর আগে ফায়ার সার্ভিস নয়জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছিল।

ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক ডেরেক আর্মস্ট্রং চ্যান বলেন, রাতের অন্ধকার ও উচ্চ তাপমাত্রার কারণে ভবনে প্রবেশে এখনো অসুবিধা হচ্ছে। ধসে পড়া স্ক্যাফোল্ডিং ও ছিটকে পড়া ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার কাজের জন্য বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়, অনেক বাসিন্দা ভবনে আটকা পড়ে থাকতে পারেন। এ ঘটনার সন্দেহে তিনজনকে পুলিশ আটক করেছে, যদিও তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ এখনো জানানো হয়নি।

এটি হংকংয়ের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে প্রাণঘাতী অগ্নিকাণ্ড। এর আগে ১৯৯৬ সালে কাওলুনের গার্লে বিল্ডিংয়ে আগুনে ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

অগ্নিকাণ্ডের সময় বাঁশের স্ক্যাফোল্ডিং থেকে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ধ্বংসাবশেষ পড়ার শব্দে আশেপাশের মানুষ আতঙ্কে বিভোর হয়ে পড়ে। অগ্নিনির্বাপণে ১২৮টি ফায়ার ট্রাক ও ৫৭টি অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। পাশাপাশি কাছাকাছি দুটি কমিউনিটি সেন্টারে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়।

টাই পো জেলার জনসংখ্যা প্রায় তিন লাখ। রেকর্ড অনুযায়ী, এই অগ্নিকাণ্ডে অঙ্কে আটটি ব্লকে প্রায় দুই হাজার ফ্ল্যাটে মোট চার হাজার আটশো বাসিন্দা বসবাস করেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo