1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৫৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে ৮ বছর বয়সী গৃহকর্মীর মৃত্যু পুলিশ ইউনিফর্মে বদল: জেলা-ইউনিটে গাঢ় নীল ও খাকি, মহানগরে লাইট অলিভ

ফেলানীর ভাই আরফান বিজিবিতে যোগ দিলেন

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ির অনন্তপুর সীমান্তে ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের ফেলানী খাতুনকে বিএসএফের গুলিতে হত্যা করা হয়। সেই সময় তার মরদেহ কাঁটাতার ঝুলে থাকায় দেশের মানুষের হৃদয়ে গভীর শোক ও আবেগের সৃষ্টি হয়েছিল। এই ঘটনার পর থেকে ন্যায় এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য পরিবারের লড়াই চলতে থাকলেও আজ অবশেষে তাদের স্বপ্ন পূরণের এক শুভ মুহূর্ত এসেছে।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি লালমনিরহাটের ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সিপাহী নিয়োগ পরীক্ষায় এ জয় অর্জন করেন আরফান হোসেন। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর, বৃহস্পতিবার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন। এই সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার বাবা মো. নুরুল ইসলাম।

মাত্র ১৫ বছর বয়সে ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই চালিয়ে যাওয়া ফেলানীর ছোট ভাই এখন দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ পেয়ে গর্বিত। এই অর্জন তাকে নতুন জীবনের পথে এগিয়ে নিয়ে গেছে বলে তিনি জানান। সে বলে, ‘বাবা-মায়ের স্বপ্ন ছিল দেশের জন্য কিছু করব। ফেলানীর হত্যার ঘটনা আমাকে আরও বেশি প্রতিবাদী এবং দেশপ্রেমের জন্য উদ্বুদ্ধ করেছে। আজ সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় আমি খুবই আনন্দিত। বিজিবিকে ধন্যবাদ জানাই এই সুযোগ দেওয়ার জন্য।’

বিজিবির লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম বলেন, ‘বিজিবি সব সময় ফেলানীর পরিবারের পাশে আছে। ফেলানীর ছোট ভাই এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে প্রশিক্ষণ শুরু করবেন। আমরা আশা করি, প্রশিক্ষণ শেষে তিনি একজন যোগ্য সৈনিক হিসেবে দেশসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করবেন। সীমান্তে ভবিষ্যতে কোনও নৃশংসতা আর ঘটবে না, এই জন্য বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও সচেতন হয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

ফেলানীর বাবাও পরে বলেন, ‘নিজের ছেলেকে এই চাকরি পাওয়া তার স্বনাম অর্জন, সবার দোয়া এবং পরিবারের সমর্থন ছিল। আমি বিশ্বাস করি, ছেলে সততার সঙ্গে কাজ করবে, তখন আমার মেয়ের আত্মা শান্তি পাবে।’

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo