ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বলেছেন, শীর্ষ কমান্ডারদের হত্যাকাণ্ড সত্ত্বেও দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে দমিয়ে রাখা যাবে না। তিনি সোমবার ভোরে এই মন্তব্য করেছেন, যখন ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর শীর্ষ
ইরান গত সোমবার সাংবাদিকদের জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনা তারা গ্রহণ করেনি। তেহরানের দাবিটি স্পষ্ট — ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধকে স্থায়ীভাবে শেষ করতে হবে, সাময়িকভাবে নয়। একই
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার ঘোষণা করেছেন যে, মঙ্গলবারের মধ্যে ইরানের কাছ থেকে উপস্থাপন করা নতুন প্রস্তাবের জন্য শেষ সুযোগ। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এই সময়সীমা পার হয়ে গেলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর
এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতে নিরসনের জন্য পাকিস্তান কর্তৃক পাঠানো একটি যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাঠানো হলেও, তা ইরান স্বত্বে প্রত্যাখ্যান হয়েছে। তেহরান মনে করছে যে
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)-র গোয়েন্দা প্রধান মেজর জেনারেল মজিদ খাদেমি শহীদ হয়েছেন। এ খবরটি সোমবার (৬ এপ্রিল) আইআরজিসি’র জনসংযোগ বিভাগ নিশ্চিত করেছে। এক
ইরানের最高 নেতা মোজতবা খামেনি বক্তব্য রেখেছেন যে, দেশের শীর্ষ কমান্ডারদের হত্যাকাণ্ডের পরও সশস্ত্র বাহিনীকে স্তব্ধ করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইচ্ছে করলে এক রাতেই ইরানকে ধ্বংস করে দিতে পারেন তিনি, আর সে রাতটি হতে পারে আগামী মঙ্গলবার। সোমবার (৬ এপ্রিল) হোয়াইট হাউসের সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তাদের গোয়েন্দা প্রধান মেজর জেনারেল মজিদ খাদেমি মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন। আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগ সোমবার (৬ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছে। বিবৃতিতে
মঙ্গলবার পর্যন্ত করা সময়সীমা চূড়ান্ত—এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ইরানের পাঠানো প্রস্তাব যুদ্ধ থামাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলেও তা ‘যথেষ্ট নয়’। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে
রয়টার্স জানিয়েছে, পাঁচ সপ্তাহের বেশি চলা সংঘাত থামিয়ে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ও ব্যাপক সমঝোতা বাস্তবায়নের একটি রূপরেখা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রকে পাঠিয়েছে প্রধান মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান। সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে—দুই পক্ষই প্রস্তাবটি