মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের মাঝেও বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহ অক্ষুণ্ণ রাখতে ইরান আশ্বাস দিয়েছে। বাংলাদেশের অনুরোধের প্রেক্ষিতে তেহরান জানিয়েছে, বাংলাদেশের জন্য তেল ও এলএনজি বহনকারী জাহাজগুলো হরমুজ প্রণালি দিয়েই নিরাপদে চলাচল করতে পারবে—শর্ত
ইরানের হামলার ছবি ও বিভ্রান্তিকর তথ্য শেয়ার করার অভিযোগে কাতার যেন্ো ৩১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার এক বিবৃতি দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতরা বিভিন্ন
ইরানের হামলার ছবি, ভিডিও ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে কাতারে ৩১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। সোমবার কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধ তদন্ত বিভাগের অর্থনৈতিক ও সাইবার অপরাধ
গত সপ্তাহে তুরস্ক, সাইপ্রাস ও আজারবাইজানে ইরানি ড্রোন হামলার খবর প্রকাশিত হওয়ার পর তেহরান তা আনুষ্ঠানিকভাবে অস্বীকার করেছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই বলেন, ইরানের ভূখণ্ড থেকে ওই দেশগুলোর
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান-সংক্রান্ত যুদ্ধ কতদিন চলবে— তা নিয়ে নতুন বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এই যুদ্ধের ভবিষ্যৎ বড় অংশই নির্ধারিত হবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সিদ্ধান্তের ওপর। গত রোববার
কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান বিন জসিম আল-থানি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার জবাবে উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা চালিয়ে ইরান বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। তিনি এই অভিযোগ করেছেন ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম
ইরান দাবি করেছে যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মোট ১৩টি উন্নতমানের ড্রোন ও আকাশযান তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে ভূপাতিত করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানায়, এসব ঘটনাক্রম ঘটেছে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭
সৌদি আরবের রিয়াদ প্রদেশের আল-খারজে একটি আবাসিক কম্পাউন্ডে মিসাইল আঘাত করে দুইজন নিহত হয়েছেন; নিহতদের একজন বাংলাদেশি ও একজন ভারতীয়। স্থানীয় সময় রোববার (৮ মার্চ) সন্ধ্যায় এই ঘটনায় আরও কমপক্ষে
ইরানের রাজধানী তেহরানে ইসরায়েলি বিমান হামলায় লক্ষণীয় পেট্রোলিয়াম স্থাপনায় বিস্ফোরণ ঘটার পর তেল সিল হয়ে শহরের নর্দমা ও পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থায় মিশে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে
ইরান দাবি করেছে যে গত শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে শনিবার (৭ মার্চ) পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মোট ১৩টি উন্নতমানের আকাশযান ও ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।