২০২৪ সাল বাংলাদেশের ব্যাংক শিল্পের জন্য ছিল একটি চ্যালেঞ্জপূর্ণ বছর। অর্থনৈতিক অস্থিরতা, রাজনৈতিক হিংসা-অশান্তি এবং ব্যাংকিং খাতে বিভিন্ন অন্যায্য স্বেচ্ছাচারিতা এই শিল্পের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে। বছরজুড়ে বেশ কিছু
২০২৪ সালে দেশের বীমা-ব্যাংকিং খাত একটি কষ্টকর পরিস্থিতির মুখে পড়েছে—বছরজুড়ে আর্থিক চাপের ফলে ১৭টি ব্যাংক নিট মুনাফা করতে পারেনি এবং মুনাফা করা ব্যাংকগুলোরও আয় প্রত্যাশার চেয়ে বেশ কমেছে। তার প্রভাব
চলতি অর্থবছরের (২০২৫-২৬) প্রথম আট মাসে রপ্তানির তুলনায় আমদানি বেশি থাকায় দেশে পণ্য বাণিজ্যে ঘাটতি বেড়ে এক হাজার ৬৯১ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। এটি বাংলাদেশি টাকায় প্রায় দুই লাখ সাত হাজার
২০২৪ সালে বাংলাদেশের ব্যাংক খাত এক বড় আর্থিক ধাক্কার মুখে পড়ে; বছরজুড়ে ১৭টি ব্যাংক নিট মুনাফা অর্জন করতে পারেনি। আর্থিক চাপের এ ছিটকায় কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) খাতে ব্যয়ও ব্যাপকভাবে
রপ্তানির তুলনায় আমদানি দ্রুতবেগে বাড়ায় এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও অনুষঙ্গী পণ্যের দাম বাড়ায় চলতি অর্থবছর (২০২৫-২৬) প্রথম আট মাসে দেশের পণ্য বাণিজ্যে ঘাটতি বাড়ে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ ব্যালান্স অব পেমেন্ট
২০২৪ সালে বাংলাদেশে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো এক কঠিন বছর পার করল—বহু ব্যাংক আর্থিক চাপের মুখে পড়ে এবং সিএসআর খাতে ব্যয়ও নাটকীয়ভাবে কমেছে। বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রিপোর্ট
চলতি অর্থবছরের (২০২৫-২৬) প্রথম আট মাসে বাংলাদেশে পণ্যের বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,৬৯১ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২ লাখ ৭ হাজার কোটি টাকার ওপরে। গত অর্থবছরের একই সময়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে দেশের অর্থনীতিতে গুরতর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে ডলার মোকাবেলায় টাকার মান অপ্রত্যাশিতভাবে কমবে এবং জ্বালানি তেলের দাম দ্রুত বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হবে। এই
দেশের বাজারে আবারো বেড়েছে সোনার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ভরিতে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বৃদ্ধির মাধ্যমে ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম)
চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হার পুনরায় কমতে শুরু করেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সোমবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, অক্টোবর-ডিসেম্বরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩.০৩ শতাংশ,