1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে ৮ বছর বয়সী গৃহকর্মীর মৃত্যু পুলিশ ইউনিফর্মে বদল: জেলা-ইউনিটে গাঢ় নীল ও খাকি, মহানগরে লাইট অলিভ

বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

বগুড়ার শাজাহানপুরে আট বছরের শিশু রিফাত হোসেনকে অপহরণ করে হত্যা ও মরদেহ গুমের অভিযোগে পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন জেলা ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় যারা ঘটনার সময় নাবালক ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে, তাদের মধ্যে আরও পাঁচজনকে শিশু আইনের আওতায় প্রত্যেকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

রোববার (২১ জুন) বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মো. আনোয়ারুল হক সেই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় মোট ১১ আসামির মধ্যে আটজন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আছেন শাজাহানপুর উপজেলার খাদাস ভোলাগাড়ী গ্রামের আবুল কালাম আজাদ ও সাগর; খাদাস তালুকদারপাড়া গ্রামের সেলিম ইসলাম ও মেহেদী হাসান; এবং খাদাস মাঠপাড়া গ্রামের রাজু ইসলাম ওরফে ‘পাঁচফুল’। আদালত জানিয়েছে, সেলিম ইসলাম ও সাগর পলাতক রয়েছেন। পলাতক দুজনের গ্রেপ্তারের জন্য ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছে।

আদালত মামলার নথি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদনের উদ্দেশ্যে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। অপরদিকে, সজিব হাসান, মফিজুল ইসলাম, জাহিদ হাসান, বোরহান আলী ও বায়েজিদ হোসেন—এই পাঁচজনকে শিশু আইন অনুযায়ী প্রত্যেকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রায়ে নিহত রিফাতের বাবা এনামুল হক ও তাদের পরিবার সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে জানানো হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. আলী আসগর আদালতের মামলার সারাংশ তুলে ধরেন।

পিপি জানান, ২০১৮ সালের ১৫ জুলাই শাজাহানপুর উপজেলার খাদাস গ্রামের বাসিন্দা প্রবাসী এনামুল হকের ছোট ছেলে রিফাত হোসেন নিখোঁজ হয়ে যায়। বাড়ির সদস্যরা তাকে খুঁজে না পেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। নিখোঁজের তৃতীয় দিন পাশে পোয়ালগাছা গ্রামের ভদ্রাবতী সেতুর নিচ থেকে রিফাতের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

আদালতে উপস্থাপিত তদন্ত ও সাক্ষ্যপ্রমাণে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি, হত্যা এবং মরদেহ গুমের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে বিচারক রায়ে উল্লেখ করেন। মামলায় মামলা করার সময় এনামুল হক জানান, প্রবাস থেকে দেশে ফেরার পর প্রতিবেশী আবুল কালাম আজাদ বিভিন্ন সময় টাকা দাবি করতেন; ঘটনার দিন তিনি এক লাখ টাকা দাবি করলে এনামুল তা দিতে অস্বীকার করেন। ওই দিন বিকেলেই রিফাত নিখোঁজ হয়ে যায়।

বিচার চলাকালে একজন অভিযুক্ত—মাসুদ রানা—মৃত্যুবরণ করায় তার নাম মামলাটি থেকে বাদ দেয়া হয়। মামলার নির্দেশনা অনুযায়ী বাকি সাজাপ্রাপ্তদের শাস্তি কার্যকর করতে উচ্চ আদালতের অনুমোদন প্রয়োজন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo