1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

জিডিপির প্রবৃদ্ধি ফের নিম্নমুখী

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬

চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হার পুনরায় কমতে শুরু করেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সোমবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, অক্টোবর-ডিসেম্বরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩.০৩ শতাংশ, যা আগের প্রান্তিকের তুলনায় কম। গত জুলাই-সেপ্টেম্বরে এই হার ছিল ৪.৯৬ শতাংশ, এবং বছরের প্রথম প্রান্তিকে ছিল ৪.৯৬ শতাংশ। এর আগে, গত অর্থবছরে একই সময়ে প্রবৃদ্ধি ছিল ৩.৩৫ শতাংশ। এই ধারাবাহিক কমতি বোঝায় যে, দেশের অর্থনীতি কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়ে পুনরায় দুর্বল হতে শুরু করেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বৈশ্বিক বাজারে অস্থিতিশীলতা এবং সংঘর্ষের কারণে জ্বালানি ও গ্যাসের দাম বেড়ে চলা মূল কারণ। ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ আক্রমণে ইরানে সংঘর্ষের শুরু হয়, যা পরে আরও কিছু দেশে ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ঝামেলা দেখা গেছে এবং জ্বালানি সরবরাহের বাধা সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতির প্রভাব আমাদের দেশে মহামারি পরিস্থিতির মতো এক জ্বালানির সংকটের সৃষ্টি করেছে, যা দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যাপক ব্যাঘাত ঘটিয়েছে।

অন্যদিকে, বর্তমানে অর্থনৈতিক স্থবিরতা বিদ্যমান থাকায় সরকারি অর্থায়নও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। গত জুনে অন্তর্বতীকালীন ও নতুন সরকার ক্ষমতায় এসে অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে তেমন কিছুও করতে পারছে না। এ পরিস্থিতিতে দেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধি অর্জনে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

বিবিএসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এ সময়ের মধ্যে শিল্প খাতে সবচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি হয়েছে, যেখানে প্রবৃদ্ধির হার শুধুমাত্র ১.২৭ শতাংশ। অন্যদিকে, কৃষি খাতে ৩.৬৮ শতাংশ এবং সেবা খাতে ৪.৪৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে শিল্পখাতে সর্বোচ্চ ৬.৮২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গিয়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয় প্রান্তিকে এসে এই খাতে প্রবৃদ্ধির হার অনেক কমে গেছে।

অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি কমে দাঁড়িয়েছিল ২.০৫ শতাংশ, যা এর আগে প্রথম প্রান্তিকে ৪.৯৬ শতাংশে উঠেছিল। এই পতনের মাধ্যমে বোঝা যায়, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারাটি কিছুটা স্থবির হয়ে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শিল্প খাতের অবদান যদি আরও দুর্বল হয়, তবে অন্যান্য খাতের উন্নয়ন এই ঋতুতে কঠিন হবে এবং বছরের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অনিশ্চয়তা হিসেবে দেখা দিতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo