বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি নতুন রিপোর্টে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ব্যাংক খাতের হাজার হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির শিকার হয়েছে, যার বড় একটি অংশ পাচার হয়েছে। এই দুর্নীতির জন্য এখন
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, দেশের অর্থনৈতিক খাত—including ব্যাংকিং, শেয়ারবাজার ও স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম—সম্পূর্ণভাবে অভিজ্ঞ ও পেশাদারিত্বের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে। তিনি বলেছেন, এই খাতগুলোতে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বা হস্তক্ষেপ চলবে
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ এখন দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নিরিখে, বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ কমে হয়েছে ২৯ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার।
আগামী অর্থবছরের বাজেটের জন্য দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন প্রকল্প এবং অর্থনীতি সচল রাখতে সরকার নতুন উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো করের পরিমাণ বাড়ানো ও কর ছাড়ের সুবিধা কমানো।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, আর্থিক খাতসহ সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক সেক্টরে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না; এসব প্রতিষ্ঠান শতভাগ পেশাদারভাবে পরিচালিত হবে। তিনি এসব কথা বলেন মঙ্গলবার (১২ মে)
বাংলাদেশ ব্যাংক একটি প্রতিবেদনে বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২৮টি ব্যাংকের বড় ধরণের ক্ষতির পেছনে ছয় ব্যক্তি ও কয়েকটি শিল্পগোষ্ঠী দায়ী। প্রতিবেদনে এস আলম, বেক্সিমকো, ওরিয়ন, নাসা গ্রুপের নামসহ সাবেক
বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২৮টি ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পিছনে ছয় ব্যক্তি ও কয়েকটি বড় শিল্পগোষ্ঠীর দায় রয়েছে। প্রতিবেদনে নাম উঠে এস আলম, বেক্সিমকো, ওরিয়ন
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আর্থিক খাতে এবং সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক সেক্টরে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বা রাজনৈতিক নিয়োগ থাকবে না; এটি শতভাগ পেশাদারিভিত্তিকভাবে পরিচালিত হবে। মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর হোটেল
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, আর্থিক খাত ও সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক সেক্টরে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ গ্রহণ করা হবে না। এটি হবে শতভাগ পেশাদার ভিত্তিতে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। মঙ্গলবার (১২ মে)
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২৮টি ব্যাংককে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়াতে দায়ীদায়িত্ব রয়েছে ছয় ব্যক্তি ও কয়েকটি শিল্পগোষ্ঠীর। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সেই প্রতিবেদনে এস আলম, বেক্সিমকো, ওরিয়ন, নাসা