1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

ইসলামী ব্যাংকের তীব্র তারল্য সংকট সামলাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ২,৫০০ কোটি টাকার সহায়তা

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকের তীব্র তারল্য সংকট মোকাবিলায় আড়াই হাজার কোটি টাকা সহায়তা দিয়েছে। রোববার (১৪ জুন) নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মোট ২,৫০০ কোটি টাকার মধ্যে ২,০০০ কোটি টাকা নগদ হিসেবে দেওয়া হয়েছে। বাকি ৫০০ কোটি টাকা আন্তঃব্যাংক লেনদেন চালু রাখা ও রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (আরটিজিএস) সেবা সচল রাখতে রাখতে দেওয়া হয়েছে।

ইসলামী ব্যাংকে সম্প্রতি শীর্ষ নেতৃত্বে আকস্মিক পরিবর্তন ও নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগের পর গ্রাহকদের মধ্যে আস্থাহীনতা তৈরি হলে এক সপ্তাহের মধ্যে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা আমানত উত্তোলন করা হয়। এ তীব্র আমানত প্রত্যাহারের চাপের ফলে ব্যাংকের ক্যাশ রিজার্ভ রেশিও (সিআরআর) উল্লেখযোগ্যভাবে কমে প্রায় ২,৬০০ কোটি টাকায় নেমে আসে,pad_expected যেখানে সাধারণত সিআরআর প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি থাকত। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ব্যাংকের কারেন্ট অ্যাকাউন্টের ব্যালান্সও চাপের মুখে পড়ে।

তারল্য ঝুঁকি সামাল দিতে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তারল্য সহায়তার আবেদন করে। এর অংশ হিসেবে প্রথম দফায় ২,৫০০ কোটি টাকা দেওয়া হলো। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ দৈনন্দিন লেনদেন ও গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী অর্থ পরিশোধে সচেষ্ট থাকার জন্য এ সহায়তা আবেদন করেছিল।

সংকটের সূচনা সম্পর্কে বলা হয়, গত ২৪ মে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম. জুবায়দুর রহমান আকস্মিকভাবে পদত্যাগ করেন এবং একই দিন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর মো. খুরশীদ আলমকে নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ওই নিয়োগকে কেন্দ্র করে কর্মকর্তা-কর্মচারী, শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকদের একটি অংশ ক্ষুব্ধ হন এবং মতিঝিলের প্রধান কার্যালয় সামনে ‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’ নামে বিক্ষোভ শুরু হয়। তারা দাবি তুলেছেন যে বিতর্কিত ব্যক্তিকে শীর্ষ পদে বসানোর ফলে ব্যাংকের চলমান সংস্কার কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত হতে পারে। ফোরাম মঙ্গলবারের মধ্যে চেয়ারম্যানের পদত্যাগ ও তাদের দাবিগুলি না মানা হলে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও করার হুমকি দিয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান বলেন, সরকার কিংবা কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকে অবৈধভাবে হস্তক্ষেপ করছে না। তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ব্যাংকে ৫ সদস্যের একটি বোর্ড ছিল; বোর্ডের এক সদস্যের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগে গত ১৬ মার্চ তাকে বদলি করা হয়েছিল। এই বাইরে কাউকে বদলি বা পদোন্নতির বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো নির্দেশ দেবে না। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো যে সরকার ব্যাংকে অনৈতিক হস্তক্ষেপ করছে—তবে বাস্তবে এমন কিছু হয়নি বলে গভর্নর উল্লেখ করেছেন।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo