1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদায়) হিসেবে যোগদান সাইবার বুলিংকে কঠোরভাবে দমন করবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা বাজার থেকে ৪ প্রতিষ্ঠানের ৮ প্রকার পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বিএসটিআই শহীদ জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার পলাতক মোজাফফরকে সেনা আইনে বিচার করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিয়মের অভিযোগে ৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল মোজাফফর হোসেনকে সেনা আইনে বিচার করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আদালতের নির্দেশে দুদক গুলশানের সাবেক ভূমিমন্ত্রীর দুই ফ্ল্যাট নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে জুলাইয়ের চেতনাকে বিক্রি করে দীর্ঘকাল রাজনীতি করা যাবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাপলা হত্যাকাণ্ড: খসড়া রিপোর্টে শেখ হাসিনা-সহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে প্রাথমিক তথ্য; ফরমাল চার্জ ২১ জুলাই

মেসি ‘বিশ্বসেরা’ স্বীকৃতি দিলেন ১৯ বছরের লামিন ইয়ামালকে

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

ফুটবল কেবল গোল বা ট্রফির নাম নয়; এটা শ্রদ্ধা, ভালোবাসা আর প্রজন্মের মেলবন্ধনের ভাষাও বটে। মেটলাইফ স্টেডিয়ামের বিশ্বকাপ ফাইনালে সেই ভাষাটাই কোটি ফুটবলপ্রেমীর হৃদয় ছুঁয়ে দিয়েছিল। স্পেনের শিরোপা উদযাপনের মাঝেই ১৯ বছর বয়সী লামিন ইয়ামাল দৌড়ে গিয়েছিলেন পরাজিত আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসির কাছে — এবং তাদের আলিঙ্গন হয়ে ওঠে ম্যাচ-পরবর্তী মুহূর্তগুলোর সবচেয়ে আলোচ্য দৃশ্য।

ফাইনালের ফল যা-ই হোক, ওই এক মুহূর্তই সবাইকে আবেগাপ্লুত করে তুলেছে। ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার পর সতীর্থদের উল্লাসের ভিড়ে নিজেকে সরিয়ে নিয়ে ইয়ামাল খুঁজে পান একান্ত এক কোণে বসে থাকা মেসিকে; আর মেসিও উঠে গিয়ে বুকে টেনে নেন তরুণকে।

এ আলিঙ্গন ছিল কেবল শ্রদ্ধার প্রকাশ নয়, বরং এক অদ্ভুত পূর্ণতার প্রতীক। ২০০৭ সালে এক ইউনিসেফ অনুষ্ঠানে শিশু ইয়ামালকে গোসল করাতে দেখা যাওয়া মেসির সেই ছবি ফুটবলপ্রেমীদের মনে এখনও তেঁতুলের মতো মিষ্টি হয়ে আছে। প্রায় ১৯ বছর পর সেই সম্পর্কই মাঠে ফিরে এল, তবু এবার দুই জনই ভিন্ন অবস্থায় — এক জন বিশ্বকেরা পুরস্কার নিয়ে, আর অন্যজন তরুণ প্রতিভা হিসেবে বরাবরের চাইতে বড় পরিচিতি নিয়ে।

লামিন ইয়ামাল বরাবরই মেসিকে ফুটবলের ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড় मानেন। যদিও তিনি নেইমারকেও আদর্শ মনে করেন, মেসির প্রতি তার বিশেষ ভাবনা ও শ্রদ্ধা অন্যরকমই। ম্যাচের আগে মেসিও ইয়ামালের কাজকে উচ্চস্তরে প্রশংসা করেছেন: “ও এখন বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। ওর সাফল্য বার্সেলোনার সাফল্যও।”

ফুটবলেই একজন জিতলে একজন হারেন—এটাই খেলার নিয়ম। তবু মেটলাইফ স্টেডিয়ামে দেখা সেই হৃদয়স্পর্শী মেলবন্ধন ট্রফির চেয়ে অনেক বেশি স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ওই মুহূর্তে জয়ের আনন্দ আর পরাজয়ের বেদনা পিছে পড়ে যায়; থাকে কেবল শ্রদ্ধা, মানবিকতা আর ফুটবলের অমর রূপকথা।

এই আলিঙ্গন মনে করিয়ে দিল যে খেলাটাই শেষ কথা বলে না—মানুষের মধ্যে থাকা সংযোগ, শ্রদ্ধা এবং দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বও ফুটবলকে সত্যিকারের মহৎ করে তোলে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo