1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

মাঠে না থাকলেও বিশ্বকাপ থেকে বড় অর্থ পাচ্ছে বাংলাদেশ

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

বিশ্বকাপ মানেই গোল, ট্রফি আর কোটি কোটি সমর্থকের আবেগ। কিন্তু একই সঙ্গে এটি বিশাল অর্থের উৎসও—যা কেবল খেলায় অংশ নেওয়া দেশগুলোই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন ফুটবল-উন্নয়নশীল দেশকেও উপকৃত করে। সেই তালিকায় আছে বাংলাদেশও। মাঠে প্রতিনিধিত্ব না থাকলেও বিশ্বকাপ থেকে আসা অর্থ দেশি ফুটবল কাঠামোকে শক্তিশালী করতে বড় ভূমিকা রাখছে।

ফিফা এবার বিশ্বকাপের জন্য ঘোষণা করেছে রেকর্ড ৮৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রাইজমানি, যা ২০২২ সালের তুলনায় প্রায় ৬৫ শতাংশ বেশি। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দল প্রস্তুতি ক্যাম্প ও যাতায়াত ব্যয়ের জন্য পেয়েছে ২৫ লাখ (২.৫ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার। গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলো পেয়েছে ৯ মিলিয়ন ডলার; দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠলে ১২ মিলিয়ন, শেষ ষোলোতে ১৬ মিলিয়ন, কোয়ার্টার ফাইনালে ২০ মিলিয়ন ডলার। চতুর্থ স্থান অধিকারী দল পাবে ২৭ মিলিয়ন, তৃতীয় স্থান ২৯ মিলিয়ন, রানার্স-আপ ৩৩ মিলিয়ন এবং চ্যাম্পিয়ন দল পাবে রেকর্ড ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আরও একটি নতুন সংযোজন—চ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড়দের জন্য বিশেষ চ্যাম্পিয়নশিপ রিং।

তবে বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় তাৎপর্য রাখে পুরস্কার নয়, বরং ফিফার আয়ের এক অংশ সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়নে কাজে লাগানো। ফিফা তাদের ২১১টি সদস্য দেশের মধ্যে নিয়মিতভাবে এই অর্থ বরাদ্দ করে থাকে এবং সেই অর্থের মাধ্যমে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) প্রতিটি চক্রে নির্দিষ্ট অনুদান পায়।

ফিফার আগের অর্থায়নে ঢাকায় নির্মিত হয়েছে দুটি আধুনিক কৃত্রিম টার্ফ—একটি বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে এবং অন্যটি বাফুফে ভবনের পাশে। এই কৃত্রিম পিচগুলো দক্ষ অনুশীলন, ম্যাচ আয়োজন ও যুবপ্রতিভা গড়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

বাফুফের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী অর্থায়নের বড় অংশ জাতীয় টেকনিক্যাল সেন্টার নির্মাণে ব্যয় করা হবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে প্রশিক্ষণ, কোচিং ও প্রতিভা বিকাশে বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

বিশ্বকাপের ফাইনালে যখন দুটি দল ট্রফি ও বিশাল পুরস্কারের জন্য লড়াই করবে, বাংলাদেশ থাকবে আরেক অর্জনের অপেক্ষায়—মাঠে না থাকলেও বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল মহাযজ্ঞ থেকে আসা অর্থ দেশের ফুটবল অবকাঠামো, প্রশিক্ষণ ও ভবিষ্যৎ প্রতিভা গোহাটায় কাজে লাগছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo